ত্রিপুরায় বিজেপিতে বড়োসড়ো ভাঙনের আশঙ্কা, ছাঁটাই বামবিরোধী প্রধান মুখ

0
BJP

আগরতলা: বড়োসড়ো ভাঙনের মুখে ত্রিপুরা বিজেপি। ভাঙনের এই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সে রাজ্যে বামবিরোধী অন্যতম প্রধান মুখ সুদীপ রায়বর্মনকে ঘিরে।

সুদীপ রায়বর্মণ দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। ছিলেন বিরোধী দলনেতাও। কিন্তু বছর তিনেক আগে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর তোপ দেগে দল ছাড়েন সুদীপ। যোগ দেন তৃণমূলে। কিন্তু ২০১৭-এর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাম এবং তৃণমূল একই সঙ্গে মীরা কুমারের পক্ষে ভোট দেওয়ার ক্ষোভে তৃণমূল ছাড়েন তিনি। যোগ দেন বিজেপিতে।

Loading videos...

বলা যেতে পারে, ত্রিপুরায় বিজেপির চমকপ্রদ উত্থানের পেছনে সুদীপবাবুর অনেক হাত রয়েছে। কিন্তু, সেই তুলনায় মন্ত্রিসভায় ততটা গুরুত্ব পাননি। তাঁর হাতে ছিল স্বাস্থ্য, কৃষি উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থ দফতর। কিন্তু এর পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে সুদীপবাবুর।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে মতবিরোধ তৈরি হয় তাঁর। অভিযোগ ওঠে গোপনে কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন সুদীপবাবু। শুক্রবার আরও বড়ো পদক্ষেপ করে রাজ্য সরকার। মন্ত্রিসভা থেকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয় সুদীপবাবুকে। তাঁর ওপরে থাকা যাবতীয় দফতরের দায়িত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন বিপ্লববাবু ও উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা।

আরও পড়ুন ভারতকে বড়োসড়ো ধাক্কা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

গত কয়েক মাস ধরেই ত্রিপুরা সরকারের বিভিন্ন কাজের প্রকাশ্যেই বিরোধিতা করছিলেন সুদীপবাবু। এমনকি রাজ্যে চিকিৎসকদের উপর পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ তুলে নিজের সরকারি নিরাপত্তাও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

দলবদলুর তকমা মাথায় থাকলেও ত্রিপুরার রাজনীতিতে বামবিরোধী ব্যক্তি হিসেবে যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি সুদীপবাবু। নিচুতলার রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যেও তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তিনি যদি বিজেপি ছেড়ে সত্যিই কংগ্রেসে যোগ দেন, তা হলে বিজেপি যে অনেকটাই ধাক্কা খাবে তা বলাই বাহুল্য।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন