Rural youth prefer not to be farmers

নয়াদিল্লি: কৃষক ও কৃষিক্ষেত্রের কথা সামনের সারিতে রেখেই কেন্দ্র সরকার উপস্থাপন করতে চলেছে এ বারের বাজেট। এক দিকে কৃষকের অধিকার আন্দোলন, আত্মহত্যার ঘটনা অন্য দিকে দ্রুত নগরায়নের দাপটে কৃষি জমি হ্রাসের ঘটনা ভবিষ্যতের সামনে প্রশ্ন চিহ্ন এঁকে দিচ্ছে। এরই মধ্যে সংযোজিত হয়ে গিয়েছে আধুনিক গ্রামীণ যুব ও তরুণ সম্প্রদায়ের কৃষিকাজে অনীহা।

এমনটা মোটেই নয়, কৃষকের সন্তান কৃষিকাজই করবেন। কিন্তু এটাও তো অসম্ভব যে শহর থেকে কৃষি-শ্রমিক সরবরাহ করা হবে। তা যাই হোক, বর্তমানে গ্রামীণ যুব ও তরুণ সমাজ যে কৃষিকাজে কতটা অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে তার বহিপ্রকাশ ঘটেছে একটি সমীক্ষায়। যেখানে দেখা গিয়েছে, মাত্র ১.২ শতাংশ তরুণ এবং যুব মনে করেন চাষবাসই তাঁদের আগামী দিনের পেশা হয়ে উঠতে পারে। বাকিরা বলছেন অন্য কথা।

ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ১৮ শতাংশ বলছে চাষের কাজ করার থেকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া ভালো। আবার ১২ শতাংশ বলছেন তারা ভবিষ্যৎ পেশা হিসাবে বেছে নিতে চায় ইঞ্জিনিয়ারিংকে। তাদের মধ্যে ১৩ শতাংশ অবশ্য মনে করে কোনো একটা সরকারি চাকরি পেলেই নিশ্চিত। ওই সমীক্ষা বলছে, গ্রামের তরুণী ও যুবতীদের ২৫ শতাংশ চায় ভবিষ্যতে শিক্ষিকা হতে এবং ১৮ শতাংশ চাইছে ডাক্তার বা নার্সের কাজ। অবশ্য ৯ শতাংশ মনে করে সরকারি চাকরিই ভালো।

দেশের ২৮টি রাজ্যে ৩০ হাজার তরুণ ও যুবর দেওয়া মতের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে ওই সমীক্ষা রিপোর্ট। তবে এই রিপোর্টটি এমন একটি সময়ে প্রকাশ পেল যখন সারা দেশেই বিভিন্ন কৃষক সংগঠন নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে খোদ রাজধানী দিল্লির বুকে প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আবার কাকতালীয় ভাবে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী বাজেটে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্র।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন