সাক্ষী, সিন্ধু, দীপারা যখন রিও অলিম্পিক্সে দেশের মুখ উজ্জ্বল করে ঘরে ফিরছে, জয়পুরের কোনো এক বাড়ি থেকে তখন মাস চারেকের ছোট্ট শিশুটি নিখোঁজ। শেষ পর্যন্ত অসাড় দেহটা পাওয়া গেল একটা পুরনো এসি মেশিনের মধ্যে তোয়ালে চাপা অবস্থায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় শিশুটিকে। শরীরে আঘাতের ১৭টি চিহ্ন পাওয়ার পর শিশুটির মা নেহা গয়ালের ওপর সন্দেহ হয় পুলিশের। মৃত কন্যাসন্তানের রক্তের সাথে মায়ের রক্ত মেলায় এবং নেহার স্নানঘরে রক্ত পরিষ্কার করার চিহ্ন মেলায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় ৩৫ বছরের নেহা গয়ালকে।  

পুলিশি জেরায় নেহা অবশ্য নিজেই কবুল করেছিল, দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তান হওয়ার কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। এর আগে পুত্রসন্তানের আশায় পুজো-আচ্চা ধার্মিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে বাড়িতে, মরিয়া হয়ে ভেবেছিলেন আইভিএফ এমনকি স্যারোগেসির কথাও। উচ্চবিত্ত, ‘শিক্ষিত’ গয়াল পরিবারের এমন ঘটনায় থমকে গেছেন প্রতিবেশীরা। নেহার স্বামীও বিশ্বাস করতে পারছেন না, স্ত্রী এমন কাজ করতে পারেন। রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে শিশুটিকে মারা হয় বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জানিয়েছেন জয়পুর থানার আধিকারিক অংশুমান ভোমিয়া।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here