উত্তর-পূর্বের ‘সংক্রমণ’ দিল্লিতে! পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ুয়ারা

0
দিল্লিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে প্রতিবাদ

নয়াদিল্লি: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সংসদ ভবনে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে বাধা দেওয়ার পরে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক পড়ুয়া শুক্রবার দিল্লিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় এবং এলাকায় বড়ো সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছেড়ে সংসদের উদ্দেশে যাওয়ার সময় পুলিশ আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় ও লাঠিচার্জ করে। ঘটনার সময় একাধিক সংবাদ মাধ্যম প্রতিনিধিও আহত হন বলে জানা যায়।

এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশ প্রতিবাদকারীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ এবং ছাত্ররা দু’পক্ষই একে অপরকে আক্রমণ করছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আইন পড়ুয়ার বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, “পুলিশ যখন আমাদের থামিয়ে দিয়েছিল তখন আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে যাত্রা শুরু করি। তখন তারা আমাদের ভাগিয়ে দিতে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে।”

তবে, ঘটনাস্থলে থাকা একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তা জোরের দিয়ে বলেন, প্রতিবাদকারীরা প্রথমে আক্রমণ করেছিল – তারা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাতে বাধ্য করেছিল।

জানা গিয়েছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত পড়ুয়ারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। পুলিশ আটক আন্দোলনকারীদের বদরপুর থানায় নিয়ে যায়। এলাকার আম আদমি পার্টির বিধায়ক আমানতউল্লাহ খান খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

দিল্লির মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) সাময়িক ভাবে ছাত্রদের সংসদ অভিযান আটকাতে পটেল চক এবং জনপথ স্টেশনগুলি বন্ধ করে দেয়। উভয় স্টেশন প্রায় এক ঘন্টা পরে আবার খোলা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাজ্যসভায় পাশ হয় নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল ২০১৯। বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ১২৫টি, অন্য দিকে বিপক্ষে ১০৫টি। গত সোমবার লোকসভায় এই বিল পাশ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিলে সম্মতি জানিয়ে সেটিকে আইনে পরিণত করেন রাষ্ট্রপতি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.