কাফিল খানের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

0

ওয়েবডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ঠেকানোর ক্ষেত্রে এমনিতেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই পুলিশের ভূমিকায় ফের এক বার প্রশ্ন উঠছে। কারণ চিকিৎসক কাফিল খানের বিরুদ্ধে কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা করল পুলিশ।

ডঃ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত বছর নাগরিকত্ব সংশোধনী পাশ হওয়ার পর আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই আইন-বিরোধী মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

ওই ঘটনায় কাফিল খান ক্যাম্পাসের শান্তিভঙ্গ করেছেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৩ ডিসেম্বর এফআইআর দায়ের হয়। সেই এফআইআর-এর ভিত্তিতে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই মামলায় সোমবার জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে মথুরা জেল থেকে এখনও ছাড়া পাননি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন সঙ্কটে ৬০ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কাফিল খানকে প্রথমে সাসপেন্ড করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই মনে করেন, ওই অক্সিজেন সঙ্কটের সময় হাসপাতালে পড়ে থেকে শিশুদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। এমনকি, অন্যান্য হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন জোগাড় করেও এনেছিলেন।

আরও পড়ুন ওমর আবদুল্লাহকে বন্দি করার কারণ জানতে চেয়ে কাশ্মীর প্রশাসনকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে উত্তরপ্রদেশ সরকারেরই একটি রিপোর্টে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি পান তিনি। কিন্তু সিএএ পাশ হওয়ার পর নতুন করে মামলার কোপে পড়েন কাফিল খান। বিরোধীদের বক্তব্য, গোরক্ষপুরের ঘটনায় কাফিল খানের বেকসুর খালাস হয়ে যাওয়া উত্তরপ্রদেশ সরকার মেনে নিতে পারেনি। সে কারণেই এই ধারা এনএসএ ধারা দিয়েছে তারা।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.