Connect with us

কালিম্পং

মেলেনি চিকিৎসা, শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মৃত কালিম্পংয়ের বাসিন্দা

ওয়েবডেস্ক: দিল্লি (Delhi) থেকে নিউ জলপাইগুড়িগামী (New Jalpaiguri) শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন কালিম্পংয়ের বাসিন্দা কিপা শেরপা। গত বুধবার ট্রেনে ওঠার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘ পথ অতিক্রমের পর উত্তরপ্রদেশে ইটাওয়া (Etawah) স্টেশনে তাঁকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও অনেক আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়।

দুই মেয়ে-জামাইয়ের সঙ্গেই দিল্লি থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন বছর একান্নর কিপা। ট্রেনে ওঠার কিছুক্ষণ পর থেকেই মাথার যন্ত্রণার কথা জানান তিনি। এর পর ধীরে ধীরে তিনি অসুস্থ হতে শুরু করেন। প্রচণ্ড গরমে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর জামাই রণজিৎ তামাং। ট্রেনের মধ্যে রেলকর্মীদের খোঁজার চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু কারও হদিশ পাননি। শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য একাধিক বার চেন টেনে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

তামাং জানান, যে নম্বরটি থেকে তাঁদের টিকিট কনফার্মড হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল, সেটিতেও তাঁরা ফোন করেন। কিন্তু অপর প্রান্তে যিনি ফোন ধরেন, তিনি একটি হেল্পলাইন নম্বর দেন। কিন্তু সেখান থেকে কোনো সাহায্য পাওয়া যায়নি।

দিল্লির কোটলা এলাকায় থাকতেন তামাংরা। তিনি জানান, “লকডাউনে কাজ হারিয়ে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিই। ট্রেনের টিকিট কনফার্মড হয়েছে জানতে পেরে আমরা সকলে খুব খুশি হই। সকালে তাড়াতাড়ি উঠে স্টেশনে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করি। খাবার পাব কি পাব না চিন্তা করে পথ থেকে কলা এবং আম কিনে স্টেশনে আসি। সন্ধ্যা ৭টায় আমাদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়। তখনও পর্যন্ত সকলেই সুস্থই ছিলাম। কিন্তু ট্রেনের মধ্যে প্রচণ্ড গরম বিপদ ডেকে আনে।”

কিপার চিকিৎসার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিয়েও ব্যর্থ হন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। শেষমেশ উত্তরপ্রদেশের ইটাওয়া স্টেশনে ট্রেন থামে। কিপাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়। তামাং বলেন, “সময়মতো অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হলে এই চরম পরিণতি হয়তো দেখতে হত না”।

সোমবার থেকে একের পর এক মৃত্যু

প্রসঙ্গত, গত সোমবার থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে (Shramik Special Train) ন’ জন অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। প্রত্যেকেই আগে থেকে অসুস্থ ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে রেলের তরফে।

অন্য দিকে ট্রেনের যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, ঘোষণামতো পরিষেবা মিলছে না শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে। ট্রেনে কোনো রেলকর্মীর খোঁজ পাওয়া যায় না। খাবার-জল অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিষেবাও পর্যাপ্ত নয়।

কালিম্পং

প্রচুর বিধিনিষেধ সঙ্গে নিয়ে ১ জুলাই থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দার্জিলিং

দার্জিলিং: দার্জিলিং-কালিম্পঙের অর্থনীতিটা অনেকটাই পর্যটনকেন্দ্রিক। করোনা মহামারির কারণে গত মার্চ থেকে পর্যটকশূন্য হয়ে রয়েছে গোটা পাহাড়। মুখ থুবড়ে পড়েছে অর্থনীতি। করোনা (Coronavirus) কত দিনে যাবে তার কোনো ঠিক নেই। তাই করোনাকে সঙ্গে নিয়েই এ বার পর্যটকদের স্বাগত জানানোর জন্য তৈরি হচ্ছে পাহাড়।

১ জুলাই থেকে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-এর আওতাধীন সব হোটেল এবং হোমস্টে খুলে দেওয়া হবে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল এমনিতেই খোলা রয়েছে, কিন্তু দর্শনীয় স্থানগুলি এতদিন বন্ধ ছিল। ১ জুলাই থেকে ধীরে ধীরে তা খোলা হবে।

পর্যটনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা করে এই কথা জানিয়েছেন জিটিএ (GTA) পর্যটন দফতরের সহকারী ডিরেক্টর সুরজ শর্মা।

১ জুলাই থেকে জিটিএ-এর আওতায় থাকা দার্জিলিংয়ের টাইগার হিল, রক গার্ডেন, গঙ্গা মাইয়া পার্ক, বাতাসিয়া লুপ খুলে দেওয়া হবে। একই দিনে কালিম্পঙের দেলো পার্কও খুলে দেওয়া হবে।

শর্মা বলেন, “আমরা প্রথম জলটা মেপে নিতে চাই। সাধারণ মানুষ কেমন প্রতিক্রিয়া দেখান সেটাই জেনে নিতে চাই। তার পর মিরিক-সহ বাকি জায়গা খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তবে জিটিএ-এর আওতায় না থাকা দার্জিলিং চিড়িয়াখানা, হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (HMI) আর রোপওয়েও যাতে খুলে দেওয়া হয় ১ জুলাই থেকে সেই জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাবে জিটিএ।

হোটেল আর হোমস্টেগুলোর জন্য বিশেষ স্ট্যান্ডার্ড ওপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) তৈরি করা হবে। পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে কোনো রকম আপস যাতে না করা হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হবে। আপাতত ট্যাক্সিগুলো তাদের যাত্রী ক্ষমতার ৫০ শতাংশ যাত্রী নিতে পারবে বলে জানিয়েছে জিটিএ।

তবে পর্যটকরা যাতে নিজেদের ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাহাড়ে আসেন, সেই ব্যাপারে বিশেষ আবেদন করেছে জিটিএ। পাহাড়ে ওঠার অন্তত চারটে জায়গায় থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন শর্মা।

সব মিলিয়ে, ধীরে ধীরে এ বার পর্যটনের ভাটা কাটিয়ে উঠতে চাইছে পাহাড়।

Continue Reading

আলিপুরদুয়ার

গেরুয়া থেকে সবুজ হল রাজ্যের এক জেলা, সবুজ থেকে গেরুয়ায় ঢুকে গেল আর এক জেলা

খবর অনলাইনডেস্ক: একই সঙ্গে স্বস্তি এবং অস্বস্তি। এক দিকে যেমন অরেঞ্জ থেকে গ্রিন জোনে ঢুকে গেল রাজ্যের এক জেলা, তখনই গ্রিন থেকে অরেঞ্জ জোনে যেতে হল আরও এক জেলাকে।

এই দুই জেলা হল কালিম্পং (Kalimpong) আর আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)। দু’ দিন আগেই সরকারি ভাবে গ্রিন জোন হয়ে গিয়েছে কালিম্পং। কারণ গত ২৮ দিন সেখানে নতুন করে কোনো করোনারোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। কিন্তু একই সঙ্গে আলিপুরদুয়ারে খোঁজ মিলেছে চার জন করোনা-আক্রান্তের।

আলিপুরদুয়ারের বারবিশার কোয়ারান্টাইনে থাকা চার জনের শরীরে ধরা পড়ল করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের লালারসের রিপোর্টে সংক্রমণ ধরা পড়ে। দু’ জনের বাড়ি আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকে। বাকি দু’ জনের কোচবিহারের জোড়াইয়ে। চার জনকে শিলিগুড়ির করোনা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

৩৮ দিন লকডাউনের পরেও গোটা জেলায় করোনা সংক্রমণ ধরা না পড়ায় স্বস্তিতে ছিলেন জেলার বাসিন্দারা। সোমবার থেকে কিছু পরিষেবা পুনরায় শুরু করার ব্যাপারেও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সব কিছুই কেমন আচমকা বিরাট ধাক্কা খেল।

বৃহস্পতিবার রাতের একটা খবরেই চিন্তার ভাঁজ পড়ল জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই অবস্থায় গ্রিন জোন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই অরেঞ্জ জোনে চলে যাওয়ার কথা। যদিও আলিপুরদুয়ারকে অরেঞ্জ জোনে পাঠানো হবে কি না, সরকারি ভাবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।  

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুমারগ্রামের তিন জন ও কোচবিহারের জোড়াইয়ের দু-জন চিকিৎসার জন্য দিল্লির এইমসে গিয়েছিলেন। এই পাঁচজনের মধ্যে একজন কিডনির রোগীও রয়েছেন। লকডাউনের (Lockdown) জেরে ট্রেন বা যান চলাচল বন্ধ থাকায় পাঁচজন মিলে একটি অ্যাম্বুলেন্সে দিল্লি থেকে রওনা হন। কিন্তু গোপন সূত্রে সেই খবর পৌঁছে যায় পুলিশের কাছে।

অ্যাম্বুলেন্সটি আলিপুরুয়ারে ঢোকার সময়েই বারবিশার কাছে তাঁদের আটকায় পুলিশ। তাঁদের সেখানকার একটি কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে বুধবার পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। দেখা যায় চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ।

আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রীকে ফোন উদ্ধব ঠাকরের, পর দিনই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি রাজ্যপালের!

তবে প্রশাসনিক কর্তারা মনে করছেন, এই চার জনের থেকে অন্যদের সংক্রমণ ছড়ানোর বিশেষ আশঙ্কা নেই। কারণ স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, কোয়ারান্টাইনে থাকা বাকিদের খুব বেশি সংস্পর্শে ছিলেন না এই চার জন। তবু এই তিন দিনে যাঁদের সংস্পর্শে তাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

Continue Reading

কালিম্পং

করোনাভাইরাসে দ্বিতীয় মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গে

খবর অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের (Coronavirus) জেরে দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল এ রাজ্যে। মৃত্যু হয়েছে কালিম্পংয়ের (kalimpong) ৫৪ বছর বয়সি মহিলার। রবিবার রাত দু’টো নাগাদ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওই মহিলা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। তবে অত্যন্ত শ্বাসকষ্ট শুরু হলে গত ২৫ মার্চ তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical College) হাসপাতালে ভরতি করা হয়। করোনাভাইরাসের সব রকম লক্ষণই থাকায় তাঁর নমুনা নাইসেডে পাঠানো হয় সেখান থেকে।

রিপোর্টও পজিটিভ আসে। কিন্তু কোনো চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি। ক্রমে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করে।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, সোমবার ভোর ২টো নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়েছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের সিএমওএইচ প্রলয় আচার্য, ওই মহিলার মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন “৭ এপ্রিলের মধ্যে করোনামুক্ত হবে রাজ্য”, দাবি তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত ১৬ মার্চ চেন্নাই থেকে ফিরেছিলেন ওই মহিলা। চেন্নাইয়ে গিয়েছিলেন মেয়ের চিকিৎসার জন্য। সেখান থেকে ফেরার পর থেকেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

Continue Reading
Advertisement
কলকাতা48 mins ago

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

দেশ1 hour ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পতন, বাড়ল সুস্থতার হার

রাজ্য2 hours ago

পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউনের জল্পনা

রাজ্য3 hours ago

করোনায় লাগাম টানতে এ বার পশ্চিমবঙ্গে আসা স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা কমছে

বাংলাদেশ9 hours ago

‘দম ফুরাইলে ঠুস’-এর গায়ক প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর প্রয়াত

রাজ্য15 hours ago

নতুন সংক্রমণ কিছুটা কম, রাজ্যে করোনামুক্ত হলেন ১৫ হাজার

প্রযুক্তি15 hours ago

নতুন অ্যাপ ‘সেল্‌ফ স্ক্যান’ নিয়ে এল রাজ্য সরকার! এর কাজ কী?

বিনোদন16 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু-রহস্যে থানায় বয়ান রেকর্ডের পর নি‌ঃশব্দেই বেরিয়ে এলেন সঞ্জয়লীলা বনশালী

কেনাকাটা

কেনাকাটা17 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে