jubilation at WBPCC office
কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে উল্লাস। ছবি রাজীব বসু।

নয়াদিল্লি: নবীন মুখের দাবি থাকলেও, শেষ পর্যন্ত প্রবীণদের ওপরেই ভরসা করছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব তুলে দিলেন কমল নাথের ওপর। রাজস্থান এখনও অনিশ্চিত, যদিও পাল্লা ভারী অশোক গহলৌতের। ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন টি এস সিংহদেও।

সারা দিন ধরে নাটক চলার পর কংগ্রেসের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জানিয়ে দেওয়া হয়, কমল নাথই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে ইন্ডিয়া টুডে-কে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি প্রমাণ করেছি, মোদী-শাহ অভেদ্য নন।” তিনি বলেন, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, দিগ্বিজয় সিংহ-সহ সব নেতাকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস কৃষকদের ঋণ মকুব করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা সরকারের গড়ার ১০ দিনের মধ্যে পূরণ করা হবে।

কমল নাথ, মধ্যপ্রদেশ।

গো-বলয়ে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখলের পরে কংগ্রেসের কাছে এখন প্রধান সমস্যা হয় মুখ্যমন্ত্রীদের বাছাই করা।মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে ছিল নবীন-প্রবীণ লড়াই। যদিও মধ্যপ্রদেশে প্রথম থেকেই পাল্লা ভারী ছিল কমল নাথের। সব থেকে বেশি সমস্যা রাজস্থানে। সেখানে সচিন পায়লট এবং অশোক গহলৌতের সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছে বলেও খবর। সমস্যা রয়েছে ছত্তীসগঢ়েও। সেখানে লড়াই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভুপেশ বাঘেল এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী ঠাকুর নেতা টি এস সিংহদেওর মধ্যে।

অশোক গহলৌত, রাজস্থান।

মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে এই জট কাটানোর জন্য বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাহুল। সেই বৈঠকে যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “আমাদের বিধায়ক এবং কর্মীদের মত নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাড়াতাড়িই মুখ্যমন্ত্রীদের নাম জানতে পারবেন।”

টিএস সিংহ দেও, ছত্তীসগঢ়।
শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হল। কিন্তু বাকি দু’টি রাজ্য? শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।