Connect with us

দেশ

‘অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দরকার’, সব ট্রেন বাতিল করল কর্নাটক

খবর অনলাইনডেস্ক: রাজ্যের অর্থনীতিকে পুনরায় চাঙ্গা করার জন্য পরিযায়ী শ্রমিকদেরই (Migrants Labourers) প্রয়োজন। এই যুক্তি দিয়ে বুধবার থেকে নির্দিষ্ট সব ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক (Karnataka)।

এই ট্রেন বাতিল করে দেওয়ার ফলে পরিযায়ী শ্রমিকরা আর বাড়ি ফিরতে পারবেন না।

আচমকা লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আতান্তরে পড়েন পরিযায়ী শ্রমিকরা। হঠাৎ করে কাজ হারিয়ে বাড়ি ফেরার জন্য উতলা হয়ে ওঠেন তাঁরা। গোটা এপ্রিল জুড়েই এক ধরনের অব্যবস্থা চোখে পড়ছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের সংকট কাটানোর ক্ষেত্রে। তবে মে’র শুরু থেকে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে শুরু করে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া শ্রমিকদের বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বেশ কিছু ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হয়। রাজ্যের আবেদন মেনে এই ট্রেনের ব্যবস্থা করে রেলমন্ত্রক (Ministry of Railways)।

আরও পড়ুন ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনামুক্ত, বাড়ল সুস্থতার হার

ঠিক একই ভাবে বাড়ি ফেরার জন্য উদগ্রীব ছিলেন কর্নাটকের পরিযায়ী শ্রমিকরা। বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) আটকে পড়া মালদার যুবক মণিরুল মণ্ডল খবর অনলাইনকে জানিয়েছিলেন কী ধরনের অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন তাঁরা

তবে মঙ্গলবারই বিভিন্ন নির্মাণসংস্থা আর তাদের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিউরাপ্পা (BS Yediyurappa)। এই বৈঠকের পর পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজে ফেরার আবেদন করেন তিনি।

ভারতের অন্য অনেক রাজ্যের থেকে কর্নাটকের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো, এই দাবি করে ইয়েদিউরাপ্পা বলেন, “রেড জোনের এলাকাগুলি ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসাবাণিজ্য, নির্মাণকাজ আর শিল্পকর্ম শুরু হয়ে গিয়েছে। শ্রমিকদের প্রতি আমার আবেদন তাঁরা কোনো গুজবে কান না দিয়ে কাজে ফিরে আসুন।”

এর পরেই বুধবার থেকে নির্ধারিত যাবতীয় ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্নাটক সরকার।

দেশ

মন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি পদ থেকে অপসারিত সচিন পায়লট

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত রাজস্থানের (Rajasthan) উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সচিন পায়লটকে (Sachin Pilot)। একই সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে।

সচিনের পাশাপাশি আরও দুই মন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন বিশ্বেন্দ্র সিংহ ও রমেশ মিনা। এই তিন মন্ত্রীকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্রকে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot)।

সচিন পায়লটের জায়গায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয়েছে গোবিন্দ সিংহ দোতাসরাকে।

মঙ্গলবার সকালে জয়পুরে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের যে দ্বিতীয় সভা বসে তাতেও গরহাজির থাকেন সচিন পায়লট ও তাঁর অনুগামীরা। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত হয়।

সচিনের প্রতিক্রিয়া

শেষ কয়েক দিন ধরেই সচিন এবং অশোক শিবিরের দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষত, গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌতের সংবাদিক বৈঠকের পর দল ভাঙানোর অভিযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্ত ঘটনায় অন্য মাত্রা যোগ করে। গত রবিবার নিজের অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে সচিনের দিল্লির যাওয়ার ঘটনায় তাঁর দল ছাড়ার ইঙ্গিত আরও জোরালো হয়।

এ দিন কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সচিন টুইটারে লিখেছেন, “সত্যকে হয়রানি করা যায়, তবে হারিয়ে দেওয়া যায় না”।

বিধানসভায় কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থান

২০০ সদস্যের রাজস্থান বিধানসভায় এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১০০ জন (নির্দল-সহ)। এর আগে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১০৭, অন্য দিকে সমর্থন ছিল ১৩ নির্দল বিধায়কের। কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৯০-এ নেমে এসেছে, অন্য দিকে সমর্থনকারী নির্দল বিধায়কের সংখ্যা কমে হয়েছে সাত।

(বিস্তারিত আসছে)

Continue Reading

দেশ

পরিষদীয় দলের দ্বিতীয় বৈঠকেও গরহাজির সচিন পায়লট

রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েকদিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আমন্ত্রণ জানানো হলেও ফের পরিষদীয় দলের বৈঠকে গরহাজির রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পায়লট (Sachin Pilot)।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েক দিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সচিন কোনো কথাই শুনতে রাজি হচ্ছেন না।

সূত্রের খবর, সচিনকে বার বার বোঝানো হয়েছে যে এখনও সময় রয়েছে দলে ফিরে আসার। কিন্তু তাঁর তরফ থেকে ইতিবাচক কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই আবহেই মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে কংগ্রেসের দ্বিতীয় পরিষদীয় বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে, সচিনকে ছাড়াই।

এ দিকে সোমবার রাতে সচিন পায়লট (Sachin Pilot) শিবির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে অন্তত ১৫ জন বিধায়ক সচিন শিবিরকে সমর্থন করছে। তারা হরিয়ানার মানেসারের একটি হোটেলে রয়েছেন বলে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের দাবি।

সচিন শিবিরের দাবি তাদের পক্ষে অন্তত ৩০ জন বিধায়ক রয়েছেন। তবে সোমবারের ভিডিওয় ১৫ জনকে দেখা যাচ্ছে। তবে সেটাও যদি হয়, তা হলেও রাজস্থানে সংকট আসন্ন।

সোমবার সকালেই অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot) শিবির দাবি করেছিল, তাদের দিকে একশোরও বেশি বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। এর পর পালটা সচিন বলেন, “আমার কাছেই তো ২৫ জন রয়েছেন।” ফলে প্রকৃত সংখ্যাটা কত, কোনো শিবিরই ঠিক করে বলতে পারেননি।

উল্লেখ্য, সোমবার গহলৌত শিবির যে বৈঠক করে, তাতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে সচিন-সহ বিদ্রোহী কংগ্রেসিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থাই নিতে হবে। কাউকে রেয়াত করলে চলবে না।

Continue Reading

দেশ

আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লক্ষ পেরোলেও মৃত্যুহার ক্রমশ নিম্নমুখী দেশে

কিছুটা কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কিছুটা কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। অন্য দিকে মৃত্যুর হারও তার নিম্নমুখী যাত্রা বজায় রাখল।

দেশের করোনা-তথ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লক্ষ ৬ হাজার ৭৫২ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১১ হাজার ৫৬৫। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৪৬০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩৭২৭ জনের।

অর্থাৎ, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮,৪৯৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭,৯৯০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৪৯ জনের। দেশে বর্তমানে সুস্থতার হার রয়েছে ৬৩.০২ শতাংশে। মৃত্যুর হার আরও কিছুটা কমে ২.৬২ শতাংশে নেমে এসেছে।

দিল্লিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা সাতটি রাজ্যের থেকে কম

দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১২৪৬ জন। গত ৩৫ দিনে এটা সর্বনিম্ন। এর ফলে দিল্লিতে মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৭৪০ জন। যদিও এর মধ্যে ৯১,৩১২ জনই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ, রাজধানীতে সুস্থতার হার এখন ৮০.২৮ শতাংশ।

মজার ব্যাপার হল, দিল্লির থেকে সোমবার বেশি আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড করেছে সাতটি রাজ্য। সেগুলি হল মহারাষ্ট্র (৬,৪৯৭), তামিলনাড়ু (৪,৩২৮), কর্নাটক (২,৬২৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৯৩৫), উত্তরপ্রদেশ (১,৬৫৪), তেলঙ্গানা (১,৫৫০) আর পশ্চিমবঙ্গ (১,৪৩৫)।

সুস্থতার হারে এগিয়ে রয়েছে কারা

দিল্লির পাশাপাশি ভারতের একাধিক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার যথেষ্ট ভালো। এর মধ্যে প্রথম দিকেই রয়েছে লাদাখ (৮৬.৫৫%), উত্তরাখণ্ড (৭৯.১৫%), ছত্তীসগঢ় (৭৫.৯৩%) আর রাজস্থান (৭৪.৭১%)।

মোট ১৯টা রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের থেকে ভালো।

মৃত্যুহার সব থেকে কম কোথায়

গত কয়েক দিন ধরেই মৃত্যুহার কমছে গোটা দেশেই। পাঁচ দিন আগেও মৃত্যুহারের ছবিটা যে রকম ছিল, এখন সে রকম নেই। উত্তরপূর্ব ভারতে সিকিম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ডে করোনায় এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি। আন্দামানেও কারও মৃত্যু হয়নি এখনও পর্যন্ত।

গোটা দেশের মধ্যে মৃত্যুহার সব থেকে কম লাদাখ আর ত্রিপুরায় (০.০৯%)। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রচুর বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৃত্যুহার যথেষ্ট কম রয়েছে অসম (০.২১%), কেরল (০.৩৯%) আর তামিলনাড়ুতে (১.৪২%)

পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুর হার ৩.০৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

নমুনা-পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৪৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত গোটা ভারতে মোট ১ কোটি ২০ লক্ষ ৯২ হাজার ৫০৩টি নমুনা পরীক্ষা হল।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা7 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে