ওয়েবডেস্ক: কর্নাটক নিয়ে রাজনীতি আরও জমিয়ে দিল কংগ্রেস। সে রাজ্যে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও, নির্বাচন পরবর্তী জোট হওয়ার যুক্তি দেখিয়ে একক বৃহত্তম দল বিজেপি-কে সরকার গড়ার সুযোগ দিয়েছেন রাজ্যপাল বাজুভাই বালা। প্রতিবাদে গতকাল মধ্যরাতে আদালতে গিয়েছে কংগ্রেস। আদালত ইয়েদিয়ুরাপ্পার শপথ গ্রহণ বাতিল না করলেও, কেন্দ্রের বক্তব্যকে ‘অযৌক্তিক’ বলেছে। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার গঠন করা যাবে না বলেও জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আদালতের বাইরেও লড়াই ছড়িয়ে দেল কংগ্রেস। এদিনই রাহুল গান্ধী বলেছেন, কর্নাটকে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি রণকৌশলেও চমক দেন নতুন নেতা। গত বছর গোয়া, মণিপুর ও মেঘালয়ে ভোট হয়। তিন রাজ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয় কংগ্রেস। কিন্তু সরকার গড়ার মতো আসন পায়নি তাঁরা। সেই সুযোগে অন্যান্য ছোটো দলকে নিয়ে বা কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে সরকার গঠন করে বিজেপি। কোনো রাজ্যেই রাজ্যপাল কংগ্রেসকে সরকার গড়তে ডাকেননি। বৃহস্পতিবার তিন রাজ্যেরই কংগ্রেস নেতৃত্ব সরকার গড়বার দাবি জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির রাজ্যপালের কাছে সময় চেয়েছে।

কংগ্রেসের দাবির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরব হয়েছে আরজেডি-ও। ২০১৫ সালে সে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেসের জোট। রাজ্যের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ছিল আরজেডি। পরে নীতীশ কুমার জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করেন। এদিন আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের ছেলে তেজস্বী যাদব সাংবাদিক বৈঠক করে সরকার গঠনের দাবি জানান। সঙ্গে আরও জানান, রাজ্যপাল তাঁকে শুক্রবার দুপুর একটায় দেখা করার জন্য সময় দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে কর্নাটকের রাজনীতিকে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে চেষ্টার কসুর করছে না রাহুল গান্ধীর দল।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন