নয়াদিল্লি: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বিশিষ্ট লিঙ্গায়েত মঠের প্রধান ধর্মগুরু শিবমূর্তি মুরুগা শরনারু (Shivamurthy Murugha Sharanaru)। ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। শুক্রবার চিত্রদুর্গা আদালতে তাঁকে হেফাজতে চাইবে কর্নাটক পুলিশ।

শির শিবমূর্তিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চিত্রদুর্গার একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। শিবমূর্তি মুরুগা শরনারু অবশ্য দাবি করেছেন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে তাঁকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

চিত্রদুর্গা এবং মাইসুরু জেলা জুড়ে নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন সংগঠনের দিনব্যাপী বিক্ষোভের পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০.১৫ টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে শুধু তিনিই নন, মঠের হোস্টেলের ওয়ার্ডেন-সহ মোট পাঁচজন এই মামলায় অভিযুক্ত। দুই নাবালিকার অভিযোগের পরে এই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছিল।

গত কয়েকদিন ধরে, চিত্রদুর্গা এবং বেঙ্গালুরুর কিছু অংশে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভ তীব্র হয়েছে। রশ্মি নামে মঠ হোস্টেলের ওয়ার্ডেনকে বৃহস্পতিবার আটক করেছিল কর্নাটক পুলিশ। এফআইআর-এ যে পাঁচ জনের নাম রয়েছে, রশ্মি তাঁদেরই এক জন। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪-র অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নাবালিকাদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এরই মধ্যে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে স্থানীয় আদালতের দ্বারস্থ হন শরনারু। লিঙ্গায়েত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়ার পর তিনি আদালতে যান। তবে সেই আবেদনের শুনানি হওয়ার এক দিন আগেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

গত জুলাই মাসে হোস্টেল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল মঠ দ্বারা পরিচালিত একটি স্কুলে পড়া দুই কিশোরী। মাইসুরুর একটি এনজিওর কাছে পৌঁছায় তারা। ২৬ আগস্ট পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পলাতক দুই কিশোরী ৩০ আগস্ট বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে নিজেদের বক্তব্য রেকর্ড করে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন