snowtrout of kashmir
স্নোট্রাউট। প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: বিলুপ্ত হওয়ার পথে কাশ্মীরের নিজস্ব স্নোট্রাউট মাছ। জীববিজ্ঞানীদের মতে, বহিরাগত প্রজাতির বাড়বাড়ন্ত এবং অতিরিক্ত দূষণের ফলে এই অবস্থা হয়েছে স্নোট্রাউটের।

তুষারপাতে পুষ্ট কাশ্মীরের প্রায় সমস্ত হ্রদ, পুকুর, নদী এবং খালে তিরিশ বছর আগে পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে এই স্নোট্রাউট মাছের দেখা মিলত। কিন্তু এর পর থেকে ক্রমশ সংখ্যাটা কমতে কমতে এখন একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে।

পড়তে পারেন স্টারফিশ মেরে অস্ট্রেলিয়ার প্রবালপ্রাচীর রক্ষা করতে এল রোবট সাবমেরিন

জলাশয়ে এই সুস্বাদু মাছের উপস্থিতি জানান দিত জলাশয়টি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত। মোট ১২ রকম প্রজাতির স্নোট্রাউটের দেখা মিলত কাশ্মীরে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখন তার অর্ধেক প্রজাতিকেই দেখা যায় না। শ্রীনগরের ডাল লেকে এখনও কিছু স্নোট্রাউটের দেখা মিললেও, রাজ্যের অধিকাংশ হ্রদ থেকেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে এই মাছ।

১৮৩৮ সালে কাশ্মীর ভ্রমণ করে ১৬ রকম প্রজাতির মাছের সন্ধান পেয়েছিলেন জীববিজ্ঞানী জ্যাকব হেকেল। এই নিয়ে ‘ফিশে আউস কাশ্মীর’ নামক একটি বইও লিখেছিলেন তিনি। এই ১৬ প্রজাতির মধ্যে বারো রকম ছিল স্নোট্রাউটের বিভিন্ন প্রজাতি এমনই জানাচ্ছেন শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিভাগের প্রধান মাসুদ উল হাসান বালখি। তাঁর কথায়, “এখন মৎস্যজীবীরা শুধুমাত্র পাঁচ রকম প্রজাতির মাছ দেখতে পান।”

স্নোট্রাউটের অভাবে কাশ্মীরিদের এখন সাধারণ পোনা মাছ এবং বিদেশি ট্রাউটের ওপরেই ভরসা করতে হয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন