Rape Vicrim Asifa

ওয়েবডেস্ক: কাথুয়ার আট বছরের ধর্ষিতার ময়না তদন্তে নিযুক্তি চিকিৎসক দল পাঠানকোট আদালতে জানিয়েছেন, শিশুকন্যাটিকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছিল, শ্বাসকষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে। এমনটাই দাবি এক আইনজীবীর।

ওই নারকীয় ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৫৪ জন সাক্ষীর কথা শুনেছে আদালত। ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগ চলতি বছরের জানুয়ারিতে জম্মু-কাশ্মীরের কাথুয়া জেলার একটি গ্রামে আট বছরের ওই শিশুকন্যাটিকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অপরাধ দমন শাখার প্রতিনিধি হিসাবে নিযুক্তি স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর জে পি চোপড়া জানিয়েছেন, “চিকিৎসকরা তাঁদের ময়না তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন, শিশুকন্যাটিকে যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়। তবে তার মৃত্যু হয়েছে শ্বাসকষ্টে”।

অপরাধ দমন শাখা ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্তি হিসাবে গ্রেফতার করেছে অভিযোগে সম্পর্কযুক্ত মন্দিরের কেয়ারটেকার সঞ্জি রাম, তার ছেলে বিশাল এবং নাবালক ভাইপো-সহ দুই পুলিশ আধিকারিক দীপক খাজুরিয়া ও সুরেন্দ্র ভার্মা এবং তার বন্ধু পরবেশ কুমার ওরফে মন্নুকে। গত ৯ এপ্রিল পুলিশের পেশ করা প্রথম চার্জশিটে এদের প্রত্যেকেরই নাম ছিল।

অভিযোগ, এদের মধ্যে রাম মূল চক্রী। যে ওই আট বছরের শিশুকন্যাটিকে অপহরণ করে। স্থানীয় এলাকা থেকে ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে বিতাড়নের উদ্দেশ্য নিয়েই সে এই কাজ করেছিল বলে খবর।

এই ঘটনায় হেড কনস্টেবল তিলক রাজ এবং সাব-ইন্সপেক্টর আনন্দ দত্তকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা সমস্ত তথ্য প্রমাণ লোপাট করার জন্য রামের কাছ থেকে চার লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিল বলে অভিযোগ। এর পরই এই দু’জনকেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।


আরও পড়ুন: নাগরিকপঞ্জী থেকে নাম বাদ পড়ার হতাশায় আত্মঘাতী ৩৭ বছরের যুবক

চোপড়া সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানান, “চিকিৎসকদের এই ময়না তদন্তের রিপোর্ট মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, অপরাধ দমন শাখার এই রিপোর্ট নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন