সবরীমালা কোনো ফ্যাক্টরই নয়, বুঝিয়ে দিল কেরল

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: সবরীমালা ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল বিজেপি। বিভিন্ন এক্সিট পোলও বলেছিল, এ বার কেরলে অন্তত একটা আসন জেতার পাশাপাশি দু’টো আসনে কড়া টক্কর দেবে তারা। বাড়বে ভোটভাগও। কিন্তু আদতে দেখা গেল, দক্ষিণের এই রাজ্যে সে ভাবে মানুষের মন কোনো ভাবেই জয় করতে পারল না গেরুয়া শিবির। বরং বাম জোটকে ধুলিস্যাৎ করে রাজ্যে কুড়িটি আসনের মধ্যে ১৯টিই জিতল কংগ্রেস জোট।

কেরলে রাজনৈতিক ঐতিহ্য বলে প্রতি পাঁচ বছর পর এখানে সরকার বদল হয়। তার আগাম আভাস পাওয়া যায় লোকসভা নির্বাচনে। সেই ১৯৫২ সাল থেকে এখানে বাম জোট (এলডিএফ) এবং কংগ্রেস জোটের (ইউডিএফ) মধ্যে লড়াই। এই লড়াইয়ের মধ্যে এ বার নিজের প্রভাব বিস্তার করার জন্য কম পরিশ্রম করেনি বিজেপি।

সবরীমালায় সব বয়সি মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পর সেখানে লাগাতার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপির নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। কিছুটা প্রভাবও পড়েছিল। লাগাতার বন্‌ধ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে রাজ্যে সংগঠনকে মজবুত করার চেষ্টায় ছিল বিজেপি। দল ভেবেছিল সবরীমালা যে কেন্দ্রে অবস্থিত, সেই পত্থনমথিট্টায় এ বার জিততে না পারুক, অন্তত দু’নম্বর হবে দল। কিন্তু আদতে দেখা গেল, ওই কেন্দ্রে তারা রয়েছে তিন নম্বরে।

আরও পড়ুন একশো শতাংশ সাফল্য! বাংলায় ভরাডুবি হলেও অন্য একটি রাজ্যে প্রভাব বিস্তার বামেদের

তিরুঅনন্তপুরম কেন্দ্রে এ বার শশী তারুরকে হারিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি। মিজোরামের রাজ্যপালের পদ থেকে পদত্যাগ করে এই কেন্দ্রে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হন কে রাজশেখরন। তুলনায় অবশ্য কড়া টক্কর হয়েছে বলা চলে। গণনার প্রথম দিকে একবার পিছিয়ে পড়েন তারুর। কিন্তু শেষমেশ ১ লক্ষেরও বেশি ভোটে জিতে যান তিনি। বিজেপি ভালো ফলের আশা করেছিল এর্নাকুলম কেন্দ্র থেকেও। কিন্তু সেখানেও তারা তিন নম্বরে।

দেশ জুড়ে যখন গেরুয়া ঝড়, তখনই কেরলের ফলাফলে বিজেপি শিবির যে হতাশ তা বলাই বাহুল্য। ভবিষ্যতে কেরলে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার জন্য দল আরও বেশি করে ঝাঁপাবে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। তবে শুধু কেরলই নয়, বিজেপিকে খালি হাতে ফিরিয়েছে দক্ষিণের আরও দু’টি রাজ্য তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশ।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.