প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

ওয়েবডেস্ক: কেরলের পালাক্কড়ে গর্ভবতী একটি হাতিকে বাজি ভরতি আনারস খাইয়ে হত্যার ঘটনায় এ বার ‘সাম্প্রদায়িক’ রূপ দেওয়ার অভিযোগ।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বাজি খাইয়ে হত্যার ঘটনাটিকে ‘এটা ভারতের সংস্কৃতি নয়’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ঘটনাস্থল হিসাবে যে জায়গার নাম উল্লেখ করেন, সমালোচনার ঝড় ওঠে সেটা নিয়েই। মন্ত্রীর মন্তব্যের পর হাতি-হত্যার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এর কয়েক ঘণ্টা পরেই মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়ন জানান, এখনও পর্যন্ত তিন জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এই ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক রং দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কেরল এবং মালাপ্পুরমকে নিশানা করে প্রচার চলছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও সেই প্রচারে নিজেদের জড়িয়েছেন। তিনি নিজের বর্ণনায় ধর্মান্ধতা আমদানির চেষ্টা করেছেন। আসলে এটা ইচ্ছাকৃত ভাবেই করেছেন। ভুল হয়ে গেলে সংশোধন করে নিতেন”।

গত ২৭ মে মৃত্যু হয় বিস্ফোরণে জখম হাতিটির। প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও এই মর্মান্তিক ঘটনার কোনো কিনারা করতে পারেনি বন দফতর। দিন দুয়েক আগে ঘটনাটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হতেই একাধিক পদক্ষেপের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতি বার তিনি টুইটারে জানান, “তিন জন সন্দেহভাজনকে কেন্দ্রে রেখে তদন্ত চলছে। পুলিশ এবং বন দফচর যৌথ ভাবে তদন্ত করবে। আজ জেলা পুলিশকর্তা এবং জেলা বনকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেব”।

এ দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকরও এই ঘটনার একটি কেন্দ্রীয় তদন্তের কথা জানান।

জাভাড়েকর টুইটারে লিখেছেন, “সরকার হাতি হত্যার বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় হিসাবেই দেখছে। আমরা তদন্ত এবং অপরাধীকে গ্রেফতার করতে কোনো রকমের ত্রুটি রাখব না”।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন