flood in kerala
বন্যাদুর্গত কেরল। ছবি সৌজন্যে দ্য হিন্দুস্তান টাইমস।

ওয়েবডেস্ক:- দাবি উঠছিল জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার। কিন্তু কেরলের বন্যাকে ‘গুরুতর আকারের বিপর্যয়’ ঘোষণা করল কেন্দ্র। একই সঙ্গে কেন্দ্র কেরল হাইকোর্টকে জানিয়ে দিয়েছে, একটা দুর্দশাকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার কোনো আইনি ব্যবস্থা নেই।

দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক অফিসার বলেন, “কেরলে বন্যা ও ধসের তীব্রতা ও মাত্রা বিবেচনা করে সমস্ত ব্যবহারিক দিক মাথায় রেখে একে গুরুতর আকারের বিপর্যয় বলা যায়।”

*বন্যায় এখনও পর্যন্ত ৯০ শতাংশ উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে বলে জানালেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

*স্বাস্থ্যব্যবস্থাকেই এখন অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জানালেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা।

*বাঙালি শ্রমিকদের জন্য কল সেন্টার চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর।

*বন্যা কবলিত বাড়ি ছেড়ে অনেকেই ত্রাণ শিবিরে যেতে চাইছেন না। এই ব্যাপারে পুলিশের হাতে বিশেষ ক্ষমতা দিল কেরল সরকার। কেউ যদি বাড়ি না ছাড়তে চায় তাহলে তাদের গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ।

* ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে পার্বত্য ইদুকি জেলা। এটিএম পরিষেবা চালু হয়ে গিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিকঠাক করার কাজ চলছে।

*প্রধান বিচারপতি-সহ সুপ্রিম কোর্টের সব বিচারপতিই বন্যাত্রাণে সাহায্য করবেন। জানালেন দীপক মিশ্র।

*কোচি নৌসেনা ঘাঁটিতে এসে পৌঁছল প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী।

*এই মুহূর্তে বন্যা বিধ্বস্ত কেরলে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে দশ লক্ষ মানুষ। এমনই জানিয়েছেন কেরলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী কেজে আলফোন্স।

* রাজ্য জুড়ে ৩৭৫৭টা চিকিৎসা ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। জানালেন জেপি নাড্ডা।

* বন্যার জল নামতে শুরু করেছে কেরলে। কিন্তু জল নামতেই খোঁজ মিলছে আরও দেহের। সব মিলিয়ে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ উদ্ধারকারী দলগুলির কাছে।

* আগামী পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, জানাল আবহাওয়া দফতর।

* দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে ত্রাণ। মুম্বই থেকে ৫০ জনের চিকিৎসক দল পৌঁছচ্ছে কেরল।

* সরকারি-বেসরকারি মিলে অসংখ্য উদ্ধারকারী সংগঠনের মিলিত প্রয়াসে প্রায় ৩৩ হাজার বন্যাদুর্গত মানুষকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার ত্রাণ শিবিরে আছেন ৬.৩৩ লক্ষ মানুষ। রবিবার জানাল ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিএমএ)।

*  কেরলের বন্যাত্রাণে বরাদ্দকৃত ৫০০ কোটি টাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে তিনি বলেন, “এই বরাদ্দ কেরলের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে যথেষ্ট নয়, দয়া করে বরাদ্দ বৃদ্ধি করুন”।

*  বানভাসি কেরলে আশোর আলো দেখাল আবহাওয়া দফতর। তারা জানিয়েছে, রবিবার বৃষ্টি হলেও আগামী সোমবার থেকে বৃষ্টি থামার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও বৃষ্টি কমলেও বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে জল না নামা পর্যন্ত ত্রাণকার্যে বিঘ্নের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

*  কেরলের বন্যাত্রাণ তহবিলের জন্য ১০ কোটি টাকার বরাদ্দ ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তিনি টুইট করে জানান, কেরলের বন্যাদুর্গত মানুষের পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

* ৯ আগস্টের পর এই প্রথম কেরলের বেশির ভাগ অঞ্চল থেকে চরম সতর্কতার নির্দেশ তুলে নেওয়া হল। পাতানমথিট্টা, ইড্ডুকি এবং এর্নাকুলাম – এই তিনটি জেলা ছাড়া বন্যাবিধ্বস্ত বাদ বাকি ১৪টি জেলা থেকে চরম সতর্কতার নির্দেশ তুলে নিয়েছে আবহাওয়া  দফতর। আবহাওয়া  দফতর বলেছে, রবিবার থেকে অবস্থার উন্নতি হবে যদি চেঙ্গানুর, পাতানমথিট্টা, আলুবা এবং আদুরে সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৮ আগস্ট থেকে বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৩। প্রায় আট হাজার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছে। প্রায় আট লক্ষ মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন।

* ইতিমধ্যে শনিবার থেকে চেঙ্গানুরের পান্ডানাড় এলাকায় একটি উদ্ধারকারী নৌকা খোঁজ মিলছে না। নৌকায় একটি উদ্ধারকারী দলের ছ’ জন সদস্য ছিলেন।

* ও দিকে রবিবার মধ্য রেল পুনে থেকে একটি বিশেষ ট্রেনে ১৪ লক্ষ লিটার পানীয় জল পাঠিয়েছে কেরলের উদ্দেশে।

* কেরলে বন্যাত্রাণের জন্য আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে দেশের বিভিন্ন রাজ্য। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেরলকে তেলঙ্গানা ও মহারাষ্ট্র সরকার যথাক্রমে ২৫ ও ২০ কোটি টাকা আর্থিক সহযোগিতার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল। দশ কোটি টাকা দিচ্ছে মধ্যপ্রদেশ। উত্তরপ্রদেশের তরফ থেকে ১৫ কোটি টাকা সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে ছত্তীসগঢ়। দশ কোটি টাকা দিচ্ছে গুজরাত। ঝাড়খণ্ড দিচ্ছে পাঁচ কোটি টাকা।

* সব সাংসদ বিধায়ককে তাঁদের এক মাসের মাইনে কেরলের বন্যাত্রাণের দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে কংগ্রেস।

* নতুন করে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে শনিবার। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা দুশো ছাড়িয়েছে।

*  কঠিন সময়ে কেরলের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কঠিন সময়ে কেরলের ভাইবোনদের পাশে রয়েছে। যারা এই কঠিন সময়ের সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন তাঁদের কুর্নিশ।”

*  কেরলে বিশেষ উদ্ধারকারী দল পাঠাল ওড়িশা সরকার। ২৫০ সদস্যের ওই উদ্ধারকারী দল পৌঁছে গিয়েছে শনিবার পৌঁছাল সেখানে।

*  আম আদমি পার্টির সব সাংসদ-বিধায়ক তাঁদের এক মাসের মাইনে কেরলের ত্রাণে তহবিলে দেবেন, ঘোষণা কেজরিওয়ালের।

*  ত্রাণের কাজে  ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন রাজ্যে বন্যায় ১৯,৫১২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে রাজ্য জুড়ে।

*  সব থেকে খারাপ অবস্থা চেঙ্গানুরের। সেখান থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দুর্গত মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে বলে জানালেন বিজয়ন।

*  মোদীর সঙ্গে বৈঠকে আরও বেশি করে হেলিকপ্টার এবং নৌকোর দাবি জানালেন বিজয়ন।

*  কেরলের বন্যাকে জাতীয় বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা করার দাবি তুললেন কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী।

*  কেরলের বন্যায় মৃতদের পরিবার প্রতি দু’লক্ষ টাকা এবং আহতদের পরিবার প্রতি ৫০ হাজার টাকার সাহায্যের ঘোষণা করলেন মোদী।

*  কেরলের জন্য দশ কোটি টাকা সাহায্যের ঘোষণা করল হরিয়ানা সরকার। পাঁচ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি ২৪০ জনের দমকলের দল পাঠাল ওড়িশা। দশ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

 

* পালক্কড মঙ্গলম বাঁধ সংলগ্ন গ্রামে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি র‍্যাফের উদ্যোগে চলছে উদ্ধারকার্য।

*  কেরলের রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিয়ে আকাশপথে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে বেরোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৯টায় প্রবল বৃষ্টিপাতের দরুন ওই পরিদর্শন স্থগিত রাখা হয়েছিল।

* মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে নৌসেনার বিমানবন্দরের পথে যাত্রা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

* কেরলের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উপস্থিতি রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ কর্তারাও।

kerala

* কাট্টাপ্পানার কেএসারটিসি ডিপোয় ল্যান্ডস্লাইড। তবে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।

* আলাপ্পুঝা টাউনে জলতল বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা প্রশাসনের বাড়তি উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল সেচ বিভাগকে। কী ভাবে জল নিকাশি ব্যবস্থাকে জোরালো করা যায়, সে দিকে দৃষ্টি দিতে বলল প্রশাসন।

* উদ্ধার কাজে তৎপরতা বৃদ্ধিতে নিকাশি ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে। জল না নামলে উদ্ধার কাজে গতি নিয়ে আসা সম্ভব নয়। তবে বাঁধগুলির জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে।

* ইদুক্কি এবং ইদামালায়ার বাঁধ থেকে জলের স্তরে অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়েছে। এই দুই বাঁধে জলস্তরে অবনমনের হার যথাক্রমে ১০০০ এবং ৪০০ কিউবিক মিটার প্রতি সেকেন্ড।

কেরলের পাশে থাকুন

মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ দান করুন এখান থেকে

অথবা

ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারে মাধ্যমেও টাকা পাঠাতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন