jahan-hadiya

নয়াদিল্লি: এক জন মহিলা যদি সাবালিকা হয়ে যায়, তা হলে তাঁর মতই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। সে কী চায় সেটাই প্রাধান্য পাবে। কেরলের লাভ জিহাদ মামলায় এমনই মত প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে পরবর্তী শুনানির দিন সুপ্রিম কোর্টে হাদিয়াকে হাজির করার জন্য কেরল পুলিশকে নির্দেশ দিল আদালত।

গত মে মাসে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া হাদিয়া এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সুফিন জহাঁর বিয়েকে লাভ জিহাদ আখ্যা দিয়েছিল কেরল হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাদিয়াকে তাঁর বাপের বাড়িতে থাকারও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিছু দিন আগে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে বাপের বাড়িতে থেকে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর আবেদন করতে দেখা যায় হাদিয়াকে।

আরও পড়ুন: লাভ জিহাদ: হাদিয়ার অবস্থার ব্যাপারে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল রাজ্য মহিলা কমিশন

কেরল হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন সুফিন। সোমবার প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি মিশ্র বলেন, “হেবিয়াস কর্পাস মামলার ক্ষেত্রে এক জন সাবালিকা মহিলার মতকেই সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।”

পাশাপাশি যুক্তির খাতিরে যদি সুফিনকে অপরাধী ধরেও নেওয়া হয়, তা হলে ভারতে কি কোনো আইন রয়েছে যেখানে বলা হয়েছে এক জন মহিলা কখনোই এক জন অপরাধীকে বিয়ে করতে পারবে না, এই ব্যাপারেও প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। পাশাপাশি সুফিনের বিরুদ্ধে এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন নেই বলেও মত প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি।

আগামী ২৭ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here