karnataka

ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকে কংগ্রেস-জেডি (এস) জোটের মুখ্যমন্ত্রীপদে কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যে রাহুল গান্ধী যোগ দিচ্ছেন, তা আগেই চাউর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বহু নাটকীয় ঘটনা পার করা ওই শপথগ্রহণ অন্য একটি কারণে হয়ে উঠেছে বিজেপির মাথাব্যথার বিষয়।

এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে জানা গিয়েছে, সারা দেশের এক ডজনেরও বেশি বিজেপি-বিরোধী দলের উচ্চ নেতৃত্ব যোগ দিতে চলেছেন ওই শপথগ্রহণে। স্বাভাবিক ভাবেই ওই অনুষ্ঠানই যে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের বিজেপি-বিরোধী মঞ্চের প্রারম্ভিক মত আদান-প্রদানের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে চলেছে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই রাজনৈতিক মহলে।

গত দিন ধরে কুমারস্বামীর জেডি (এস) অতিথি তালিকা প্রস্তুতি এবং আমন্ত্রণ জানানোর কাজে চরম ব্যস্ত। এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, অতিথি তালিকায় আছেন পাঁচ জন মুখ্যমন্ত্রী-সহ দেশের প্রভাবশালী ১২টির বেশি আঞ্চলিক দলের উচ্চ নেতৃত্ব। তালিকায় আছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব, বিহারের আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী, রাষ্ট্রীয় লোকদলের প্রধান অজিত সিং, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন, অভিনেতা-রাজনীতিক কমল হাসন, দলিতনেত্রী মায়াবতী প্রমুখ।

বিশেষ করে কর্নাটকের মতো কংগ্রেস-জেডি (এস) চির বৈরিতা ভুলে যে ভাবে বিজেপিকে রুখতে জোটবদ্ধ হয়েছে, সে দিকে লক্ষ্য রেখেই অন্যান্য বিজেপি-বিরোধী আঞ্চলিক দলগুলিকে ওই অনুষ্ঠানকে ভবিষ্যতের কেন্দ্রীয় শাসক দল -বিরোধী মঞ্চ হিসাবেই ব্যবহার করত চাইছে।

মঙ্গলবার দিল্লিতে রাজীব গান্ধীর মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মিলিত হয়েছেন কুমারস্বামী। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া যে নিছক নিয়মরক্ষার জন্য নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়ে টুইট করেছেন স্বয়ং রাহুল। শুধু মাত্র কর্নাটকের সরকার গঠনেই এই কংগ্রেস-জেডি (এস) সখ্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, এই জোটবন্ধন যে সুদূরপ্রসারী হয়ে উঠবে, সে কথাই বোঝাতে চেয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here