আডবাণীর ছ'বার জেতা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন অমিত শাহ। প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: একে একে ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে দলের প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীকে প্রার্থী না-করা নিয়ে বিজেপির অন্দর মহলের চাঞ্চল্যকর তথ্য।  রবিবারই দলের এক নেতা বলেছেন, আডবাণীকে কেন টিকিট দেওয়া হয়নি, সেটা তিনি নিজেই বলতে পারবেন। এর পরই অন্য এক আদবানি-ঘনিষ্ঠ নেতা প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বিজেপি সূত্রে খবর, ছ’বার গান্ধীনগর থেকে প্রতিনিধিত্ব করা আডবাণীকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের প্রার্থী হওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বিজেপির ‘লৌহপুরুষ’।

এক আডবাণী ঘনিষ্ঠ নেতা এনডিটিভি-কে বলেন, “লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা না-করার বিষয়টা বড়ো নয়। কিন্তু তাঁকে প্রার্থী না-করার বিষয়ে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে তা কার্যত অসম্মানজনক। তাঁর সঙ্গে কোনো উচ্চস্তরের নেতৃত্ব এ বিষয়ে যোগাযোগ করার প্রয়োজনীয়তা মনে করেননি, যে কারণে তিনি অসন্তুষ্ট”।

অন্য দিকে প্রার্থীদের বয়স নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্তের জেরেই আডবাণীকে অপসারণ করা হয়েছে বলে বিজেপির একাংশের দাবি। জানানো হয়েছে, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানার এ ধরনের ১০ জনকে প্রার্থী তালিকা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে, যাঁদের বয়স ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে।

[ আরও পড়ুন: ভোপালে দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে শিবরাজ চৌহানকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি ]

উল্লেখ্য, আডবাণীকে প্রার্থী না করার ক্ষেত্রে বিজেপি শিবির মোটামুটি দু’ভাগে বিভক্ত। একটি শিবিরের দাবি, নিজেদের সমীক্ষায় বিজেপি জানতে পেরেছে গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে আডবাণী দাঁড়ালে, তিনি নাকি জিততে পারতেন না। যদিও সেই দাবি খণ্ডন করেছে অন্য এক শিবির। তাদের দাবি, গান্ধীনগর আসন ১৯৮৯ সাল থেকে বিজেপির গড়। সেখানে আডবাণী জিততে পারতেন না, এ ধারণা ভুল।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন