lalu prasad yadav and nitish kumar

ওয়েবডেস্ক: পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে সাজাপ্রাপ্ত বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব রবিবার বিকেলেই মুম্বই থেকে ফিরছেন পটনায়। এ দিনই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী জেডি (ইউ) নেতা নীতীশ কুমার নিয়ে ফেললেন আগামী ২০১৯ লোকসভা ভোটে জোটে থাকার সিদ্ধান্ত।

সম্প্রতি অর্শ সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে অস্ত্রোপচারের উদ্দেশে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন লালুপ্রসাদ। সেখানে চিকিৎসার পর তাঁকে তিন মাসের শয্যাবিশ্রাম নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর থেকেই রাঁচির বীরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেলে বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি স্ত্রী রাবড়িদেবী, পুত্র প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী  এবং প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপ তাঁর জন্মদিন পালন করেছেন। তবে বিহারে গিয়ে তাঁকে ফিরতে হবে সেই রাঁচিতেই।

এ দিনই নয়াদিল্লিতে বৈঠক ছিল নীতীশের জেডি(ইউ)-র কার্যকরী সমিতির। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে সম্ভবত স্থির হয়েছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে থেকে যাওয়ার। একটি সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ওই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন নীতীশ। গত শনিবারও ওই একই উদ্দেশে ডাকা বৈঠকে আগামী লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ২০২০-র বিহার বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও যাবতীয় আলোচনা হয়।

সম্প্রতি লালুপ্রসাদের আরজেডির সঙ্গে সাময়িক ভাবে যোগাযোগের ইঙ্গিত মিলেছিল নীতীশের তরফে। কিন্তু প্রতিবারই লালুপ্রসাদ-পুত্র তেজস্বী যাদব কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন নীতীশকে। ফলে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধিতার সুর চড়ালেও বিধানসভায় যে প্রতিপক্ষের সামনে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে যাবে, তেমনটাই মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। যে কারণে বিজেপির এখনই সম্পর্ক ছিন্ন না করার পক্ষেই পাল্লা ভারী। জানা গিয়েছে, আপাতত স্থির হয়েছে, এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বিহারে ১৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন জেডি(ইউ) প্রার্থীরা। তবে দলীয় ভাবে এ বিষয়ে কোনো মত জানা যায়নি।

ছবি: প্রতীকী

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here