Left Front

ওয়েবডেস্ক: কেরলে ইতিহাস সৃষ্টি করল বামজোট, অর্থাৎ এলডিএফ। ৫৪ বছর পর কংগ্রস জোটের হাত থেকে একটি বিধানসভা আসন ছিনিয়ে নিল তারা।

কিছু দিন আগেই কেরলে কোট্টায়ামের অন্তর্গত পালা বিধানসভা আসনটিতে উপনির্বাচন হয়। শুক্রবার ছিল তার ফলপ্রকাশ। ইউডিএফ প্রার্থী টম জোসকে ২৯৪৩ ভোটে হারিয়ে আসনটি জিতে নিয়েছেন এলডিএফ প্রার্থী মণি সি কাপ্পান।

হয়তো মাত্র একটা আসনই বেড়েছে বামেদের। কিন্তু এই ফলের তাৎপর্য এই কারণে যে ৫৪ বছর ধরে এখানে দাঁত ফোটাতে পারেনি বামেরা। কেরল কংগ্রেসের (এম) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কেএম মণিই বরাবর এই আসনে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। গত এপ্রিলে তাঁর মৃত্যু হয়। তার পরেই এই আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর লোকসভা নির্বাচনে কেরলে ভরাডুবি হয়েছে বামেদের। ২০টা আসনের মধ্যে ১৯টা জিতেছে কংগ্রেস, সাকুল্যে মাত্র একটা আসন জিতেছে বামেরা। এই পরিস্থিতিতে এই আসনটি জিতে নেওয়া বামেদের কাছে যে বড়ো স্বস্তির কারণ হল তা বলাই বাহুল্য।

এ দিকে ছত্তীসগঢ়েও কিছুটা অপ্রত্যাশিত ফল হয়েছে। গত এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মাওবাদী হানায় মৃত্যু হয়েছিল দন্তেওয়াড়ার বিজেপি বিধায়ক ভিমা মাণ্ডবীর। ফলে সেই আসনেও উপনির্বাচন হয়। আসনটি জিতে নিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী দেবতী কর্মা। তিনি ওই অঞ্চলের কংগ্রেস নেতা মহেন্দ্র কর্মার স্ত্রী।

আরও পড়ুন বাংলায় এনআরসি-আতঙ্ক! কে ‘গুজব’ ছড়াচ্ছে আর কে ‘শান্ত’ থাকার পরামর্শ দিচ্ছে?

অন্য দিকে ত্রিপুরার একটি আসনেই উপনির্বাচন ছিল। বধরঘাট আসনটি বিজেপি ধরে রাখলেও, অন্য একটি ব্যাপার হয়েছে সেখানে। বিজেপি ওই আসনটি জিতলেও, তাদের ভোট ভাগ আগের বারের থেকে কমেছে প্রায় দশ শতাংশ। আর এর পুরোটা এবং সিপিএম থেকেও ভোট লাভ করেছে কংগ্রেস। তারা তৃতীয় স্থানে থাকলেও, আগের বারের ১ শতাংশ ভোট থেকে এ বার তারা প্রায় কুড়ি শতাংশ পর্যন্ত ভোট বাড়িয়ে দিয়েছে।

অন্য দিকে উপনির্বাচন হয়েছে উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরেও। ওই আসনটিতে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে ১৭,৭৭১ ভোটে হারিয়েছে বিজেপি। তবে এই কেন্দ্রে ভোট অনেক কমে গিয়েছে বিজেপির। কারণ ২০১৭-এর বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে ৪৮ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিল বিজেপি।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন