atal bihari Bajpayee
প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ী এবং হরকিষেণ সিং সুরজিৎ। ছবি: ইন্টারনেট থেকে

ওয়েবডেস্ক: প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী ছিলেন বিজেপির ‘মধ্যপন্থী’ নেতা। যে কারণে তিনি বহু-দলীয় গণতন্ত্রের প্রকৃত বিশ্বাসী ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, জানাল বামপন্থী দলগুলি।

বাজপেয়ী যথন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন বামপন্থী দলগুলি বারবার তাঁর সমালোচনায় সরব হয়েছে। তা সত্ত্বেও বামপন্থীরা মনে করেন, তিনি আলোচনা-সমালোচনার সমস্ত পথই খোলা রাখার চেষ্টা করতেন। যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যে গুরুত্ব দিতেন।

এ বিষয়ে উল্লেখ্যনীয়, যখন আমেরিকা ইরাক আক্রমণ করে তখন যুগ্ম শক্তির সঙ্গে ভারতের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে তিনি সিপিএম নেতা প্রয়াত হরকিষেণ সিংসুরজিত ও সিপিআই নেতা এ বি বর্ধনকে নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসেছিলেন।

আরও পড়ুন: এক মাত্র অটলবিহারী বাজপেয়ীই অর্জন করেছিলেন এই কৃতিত্ব, যা ভারতে আর কারও নেই

সিপিআই নেতা ডি রাজা বলেন, “ওই বৈঠকে বাম নেতৃত্ব আমেরিকাকে সঙ্গে ভারতের সঙ্গ দেওয়া নিয়ে চরম প্রতিবাদ করেন। তখন বাজপেয়ী তাঁদের উদ্দেশে বলেন, যাও বাহার যাকে জোর সে বলো। অর্থাৎ, রাস্তায় নেমে আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। তবে ওই বৈঠকের পর ভারত আমেরিকাকে সমর্থন করে”।

সিপিএম মনে করে এই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সংসদে আলোচনার জন্য উত্থাপন করে সব দলের মতামত চাওয়া হয়েছিল। বহুদলীয় রাজনীতিতে এটাই কাম্য।

আরও পড়ুন: ‘ভারতরত্ন’ গ্রহণের সময়েই শেষবার ফোটোগ্রাফারের মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী

সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেছেন, “প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সব সময়ই সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে মতামত চাইতেন। ফলে সংসদের বাইরেও তাঁর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। যে কারণে, তিনি সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন, যা আজকের সরকারের কাছ থেকে পাওয়া যায় না। এই কারণেই বাজপেয়ী সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে এতটা গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন”।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন