cpim-2

ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে লাল পতাকায় ছয়লাপ। দিল্লির বর্তমান অচলাবস্থা কাটাতে পথে নামলেন বামপন্থীরা।

ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক ভিত্তিই হল গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বিধিবদ্ধ সেই পদ্ধতিকে অমান্য করার প্রবণতা দেখাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। প্রতিবাদে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের সামনে ধরনা-বিক্ষোভ দেখালেন বামপন্থীরা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দাবিকে মান্যতা দিতে বামেদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেন অংসখ্য মানুষ।

সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এই কর্মসূচির কথা জানিয়ে টুইট করার পরই দিল্লির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাম-সমর্থকরা জড়ো হতে থাকেন। আপের দাবি নিয়ে ধরনা চলছে কয়েক দিন ধরেই। সব মিলিয়ে রবিবার রাজধানীর পাঁচটি মেট্রো স্টেশন কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পটেল চক, উদ্যোগ ভবন, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, জনপথ এবং লোক কল্যাণ মার্গ বিক্ষোভকারীদের দখলে চলে যায়। বিজেপি সরকারকে সংবিধানের গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার লক্ষেই যে বামপন্থীরা আপের বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন, সে কথাও তুলে ধরেছেন ইয়েচুরি।

উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ তাঁর মন্ত্রিসভার তিনজন সহকর্মী বর্তমান অবস্থার বিরোধিতায় নেমে উপ-রাজ্যপালের বাড়িতে ধরনায় বসেছেন। তিনি লেফট্যানেন্ট গভর্নরকে একটা চিঠি দিয়ে আগেই জানিয়েছেন য, যদি আইএএস অফিসাররা তাঁদের ‘ধর্মঘট’ প্রত্যাহার না করে তাহলে দিল্লি সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

এ দিন দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দিল্লির অচলাবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনাও করেন মমতা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here