মারা গেলেন প্রবীণ বামপন্থী নেতা, প্রাক্তন সাংসদ অরুণকুমার রায়

0
AK Roy

ওয়েবডেস্ক: প্রবীণ বামপন্থী নেতা তথা লোকসভার তিনবারের প্রাক্তন সাংসদ অরুণকুমার রায়ের জীবনাবসান হল। তিনি এ কে রায় হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। মার্কসিস্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমসিসি)-র প্রতিষ্ঠাতা এই প্রবীণ নেতা রবিবার শেষ নি‌ঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ধানবাদে।

অকৃতদার অরুণের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। অবিভক্ত বিহারের ধানবাদে ১৯৭৭, ১৯৮০ এবং ১৯৮৯ সালের লোকসভা ভোটে জিতে সংসদে যান তিনি। অন্য দিকে তার আগে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সিন্দ্রি কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন ১৯৬৭, ১৯৭৯ এবং ১৯৭২ সালে।

ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নেতা শিবু সোরেন এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বিনোদবিহারী মাহাতোর সঙ্গে ১৯৭১ সাল থেকে তিনি ঝাড়খণ্ডের পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। দীর্ঘ কয়েক দশকের লড়াইয়ে পর অবশেষে ২০০০ সালের ১৫ নভেম্বর পৃথক রাজ্যের স্বীকৃতি মেলে ঝাড়খণ্ডের।

গত কয়েক দিন ধরেই বয়সজনিত শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। তাঁকে গত ৮ জুলাই ভরতি করা হয় ধানবাদের সেন্ট্রাল হাসপাতালে। এ দিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চিকিৎসকেরা জানান, মাল্টি-অরগান ফেলিওরের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

A.K. Roy
ফাইল ছবি

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সাপুড়া গ্রামে তাঁর জন্ম। ১৯৫৯ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে এমএসসি করেন। কলেজ থেকে বেরিয়ে বছর দুয়েক একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। এর পর ১৯৬১ সালে বিহারের সিন্দ্রিতে প্রজেক্টস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড বা পিডিআইএলে যোগ দেন। সেখান থেকে শ্রমিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

সিন্দ্রি থেকেই ১৯৬৭ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়লাভ করেন। এর পরে অবশ্য মতাদর্শগত ফারাকের জেরে সিপিআই(এম) থেকে পদত্যাগ করেন এবং এমসিসি গড়ে তোলেন।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here