lic

ওয়েবডেস্ক: এযাবৎকালের দেশের বৃহত্তম ব্যাঙ্ক জালিয়াতি কাণ্ডের জেরে বড়োসড়ো ধাক্কা খেল বিমা সংস্থা এলআইসি।

এলআইসি যে তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে অর্থ বিনিয়োগ করে সেগুলি হল পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া এবং এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক। এ ছাড়া পিনএবি-কাণ্ডের অপর এক অভিযুক্ত মেহুল চোকসির গীতাঞ্জলি জেমসেও লগ্নি ছিল এলআইসির। ফলে এই চারটি সংস্থা মিলে শেয়ার বাজারের গত তিনটি  ট্রেডিং ডে-তে এলআইসির প্রায় ১,৪০০ কোটি টাকা মুছে গিয়েছে বলে স্টক মার্কেট সূত্রের খবর। ঘটনার অভিমুখ যে দিকে বাঁক নিয়েছে তাতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়লে অবাক হওয়ার নয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭-এর হিসাব অনুযায়ী, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১৩.৯৩ শতাংশ শেয়ারের মালিক এলআইসি। আবার ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক এবং এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের যথাক্রমে ১৩.২৪ ও ১৩.১৭ শতাংশের অংশীদার এই বিমা সংস্থা। উল্লেখ্য, এই তিনটি ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেই সব থেকে বড়ো বিনিয়োগকারী সংস্থা কিন্তু এলআইসি। ফলে স্টকগুলি যখন সাম্প্রতিক কালের রের্কড পরিমাণ পতনের শিকার হল, তখন সব থেকে বেসি ক্ষতিগ্রস্থ হতে হল এলআইসি-কেই। কাকতালীয় ভাবে গীতাঞ্জলি জেমসেরও সব থেকে বড়ো বিনিয়োগকারী সংস্থা এলআইসি। ওই সংস্থার ২.৮৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে এলআইসির হাতে। তবুও ভালো, গীতাঞ্জলিতে এলআইসির শেয়ার ছিল ৩.৪৯ শতাংশ, গত সেপ্টেম্বরে সেখান থেকে কমিয়ে ২.৮৮ শতাংশ করা হয়।

স্টক মার্কেট সূত্রে খবর, গত তিনটি ট্রেডিং ডে-তে এই চারটি সংস্থার শেয়ারে যে ব্যাপক ধস নেমেছে তার জেরেই লোকসান হল এলআইসির। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গীতাঞ্জলি থেকে ১১.৪ কোটি টাকা, পিএনবি ও এলাহাবাদ থেকে ১,২১৬ কোটি ও ১০৪ কোটি এবং এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক থেকে ৬৫.৮ কোটি টাকা লোকসানের সম্মুখীন হল এলআইসি। সব মিলিয়ে এই ক্ষতির পরিমাণ ১৩৯৭.২ কোটি টাকা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন