ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা নিয়ে বিজেপির আগামী রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা আগেই জানানো হয়েছে দলীয় ভাবে। যার কিছুটা বাস্তবায়িত হয়ে গিয়েছে গত কয়েক মাসে। আগামী লোকসভা ভোটের আগেই বাকি পরিকল্পনা রূপায়ণে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির।

ত্রিপুরা জয়ের পরই বিজেপির পাখির চোখ এখন পূর্বভারতের আরও দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা। এই দুই রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের সঙ্গে পাল্লা দিতে নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। সম্প্রতি কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের চার বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্‌যাপন-সফর শুরু হয়েছিল ওড়িশা থেকেই। অন্য দিকে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই বাংলায় আসতে পারেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশায় বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিজেপি উচ্চ নেতৃত্ব।

Baijayant-Jay-Panda
জয় পণ্ডা

গত নভেম্বরে এ রাজ্যের শাসক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা মুকুল রায় যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগদানের হাতে গরম ফল মিলেছে সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে। মুকুলবাবু তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যে ভাবে মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোটগ্রহণ পর্যন্ত বিজেপির হয়ে কৌশলী রাজনৈতিক চাল চেলেছেন, তার বড়োসড়ো প্রভাব দেখা গিয়েছে ফলাফলে। ঠিক একই ভাবে ওড়িশার শাসক দল বিজেডির দুই নেতা বিজেপিতে যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

Damodar-Raut
দামোদর রাউত

ওই সূত্রটি দাবি করেছে, প্রাক্তন বিজেডি নেতা তথা সাংসদ বৈজয়ন্ত (জয়) পণ্ডা এবং বহিষ্কৃত অপর এক নেতা দামোদর রাউত বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন। জয়ের এই গেরুয়া শিবিরে প্রবেশের ফলে শুধু যে তিনি বিজেপি-তে আরও কয়েকজন শাসক দলের নেতাকে নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন, তা নয়। নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি হয়তো মুকুলবাবুর মতোই শাসক দলকে বিপাকে ফেলতে পারেন।

একই সঙ্গে জানা গিয়েছে ওড়িশার আরও এক নেতা জয়রাম পাঙ্গিও বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে ওড়িশায় বিজেডি নেতাদের দলে টানার থেকে কংগ্রেসের ‘ঘর’ খালি করাতেই বেশি আগ্রহ বিজেপির।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here