meerut

ওয়েবডেস্ক: হিসাব মতো অ্যাম্বুল্যান্সের রোগী পরিবহনের কথা! কিন্তু বড়োদিনের মোচ্ছবে ও সবে কি পাত্তা দিলে চলে! কলেজ-প্রাঙ্গণে যে হিল্লোল তুলবে রাশিয়ার মোহময়ী বেলি ডান্সারদের শরীরী বিভঙ্গ। তার সঙ্গে অনুপান হিসাবে মদ চাই-ই চাই! ফলে, নিয়ম-কানুন উঠল শিকেয়। সব ভুলে অ্যাম্বুল্যান্সে করেই বোতল বোতল মদ আনালেন চিকিৎসকরা। তার পর চলল ফূর্তির জোয়ার। বড়োদিনে এমন উচ্ছৃঙ্খলতারই সাক্ষী থাকল মেরঠের লালা লাজপত রায় মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণ।

জানা গিয়েছে, বড়োদিনের দুপুরে রৌপ্যজয়ন্তী উপলক্ষে এক মিলন সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন কেন্দ্র-পরিচালিত লালা লাজপত রায় মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তনীরা। ১৯৯২ সালে পড়া শেষ করা দেশের বেশ কিছু প্রথম সারির চিকিৎসকও ছিলেন সেই প্রাক্তনী-মণ্ডলে। অথচ, কলেজের নিয়ম-কানুন নিয়ে কেউই মাথা ঘামাননি। দুপুর থেকেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে আসতে থাকে রাশি রাশি মদের বোতল। তার পর হুল্লোড় তুঙ্গে ওঠে বিকেলের দিকে, যখন মঞ্চ এবং চিকিৎসকদের মাতাতে শুরু হয় রাশিয়ান বেলি ডান্সারদের নাচ।

বিতর্কিত এই ঘটনা এক দিকে যেমন চমকে দিয়েছে দেশকে, তেমনই তুলেছে এক প্রশ্নও- কলেজের অধ্যক্ষ কি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না?

খবর বলছে, লালা লাজপত রায় মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বিনয় আগরওয়াল প্রাক্তনীদের এই কর্মসূচির কথা বিশদে জানতেন না। “আমি শুধু জানতাম, অনুষ্ঠান হওয়ার কথা আছে। সন্ধ্যের মুখে জানতে পারি, আমার অনুপস্থিতি এবং অনবধানতার সুযোগে এত কিছু হয়ে গিয়েছে কলেজে প্রাঙ্গণে। আমরা এই ঘটনার কৈফিয়ত দাবি করেছি প্রাক্তনীদের কাছ থেকে। একটা তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে”, জানিয়েছেন তিনি।

“সত্যি বলতে কী, ঘটনাটা নিয়ে আমি আগাগোড়াই ধোঁয়াশায় রয়েছি। মদ আনানোর জন্য কলেজের অ্যাম্বুল্যান্সই ব্যবহার করা হল না কি অন্য জায়গার ভাড়ার অ্যাম্বুল্যান্স, তাও ঠিক জানি না। যাই হোক, আমি এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়ব”, দাবি অধ্যক্ষের!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here