চতুর্থ দফার প্যাকেজ ঘোষণায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: অর্থনীতির হাল ফেরাতে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের ব্যাখ্যা ধাপে ধাপে প্রকাশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বুধবার থেকে শুরু এই প্যাকেজ ব্যাখ্যার চতুর্থ দিন শনিবার। দেখে নিন অর্থমন্ত্রী কী বললেন-

*দেশকে শক্তিশালী করতে এই প্যাকেজ ঘোষণা করা হচ্ছে। মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে আরও জোর দিতে হবে। সংস্কারের উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে হবে। ব্যবসায় সরলীকরণের চেষ্টা চলছে।

Loading videos...

*আজকের প্যাকেজে আটটি ক্ষেত্রে আলোকপাত করা হবে। এগুলি হল কয়লা, খনিজ, প্রতিরক্ষা, অ-সামরিক বিমান, বিদ্যুদয়ন সংস্থা, মহাকাশ এবং পারমাণবিক শক্তি।

*এই ক্ষেত্রগুলির পরিকাঠামোগত সংস্কার বৃদ্ধিক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর ফলে নতুন বিনিয়োদ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

*বিশ্ববাজারে চ্যালেঞ্জের জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে। বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশের ভিত্তিতে রাজ্যগুলির একটি তালিকা তৈরি হচ্ছে।

*কয়লা উত্তোলন করবে বেসরকারি সংস্থা। সরকারের একচেটিয়া আধিপত্য প্রত্যাহার করা হচ্ছে। খনি এলাকায় উচ্ছেদের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে বরাদ্দ ৫০ হাজার কোটি টাকা। নতুন করে পাঁচশোটি ব্লকে বেসরকারি সংস্থাকে কয়লা তোলার ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

*৩৩৭৬টি শিল্পপার্ককে চিহ্নিত করা হয়েছে।

*বক্সাইট এবং কয়লার পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের ক্ষেত্রেও আর্থিক বরাদ্দ।

*বিদেশ থেকে যে সমস্ত পণ্য আমদানি করা হয়, সেগুলি মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে এদেশেরই উৎপাদিত হবে। ফলে লাভের অংশ দেশীয় উদ্যোগপতিদের কাছেই থাকবে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে এ দেশেই তৈরি হবে। এর জন্য অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির বিলগ্নিকরণ করা হবে। তবে বেসরকারিকরণ করা হবে না, কর্পোরেটাইজেশন করা হবে। উন্নত অস্ত্র নির্মাণে দেশীয় সংস্থাকে উৎসাহ দিতেই এই সিদ্ধান্ত। এ ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ ৪৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত করা হবে।

*বিমান পরিবহণ শিল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দরগুলির সংস্কারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশ্বমানের বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে। ভারতীয় আকাশসীমাকে যত বেশি সম্ভব ছাড়পত্র দেওয়া হবে। পিপিপি মডেলে বিমানবন্দরগুলির আধুনিকীকরণ করা হবে। বিমান পরিবহণ থেকে সব মিলিয়ে এক হাজার কোটি টাকার মুনাফা হবে।

*আরও ৬টি বিমানবন্দরের নিলাম করা হবে। বিমানবন্দরের সরঞ্জাম মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণে তিন বছরে ৮০০ কোটি থেকে ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

*বিদ্যুদয়ন সংস্থার পরিকাঠামোগত সংস্কার করা হচ্ছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিদ্যুৎ দফতরের বেসরকারিকরণ করা হবে। স্মার্টমিটার লাগানো হবে।

*মেডিক্যাল আইসোটোপ তৈরির জন্য পিপিপি মডেলে একটি গবেষণা চুল্লি স্থাপন করা হবে। এটি ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের চিকিৎসার মাধ্যমে মানবকল্যাণে কাজ করবে।

*ভারতের মহাকাশ গবেষণায় বেসরকারি সংস্থাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। স্যাটেলাইট তৈরি, উৎক্ষেপণ এবং মহাকাশ-ভিত্তিক গবেষণায় বেসরকারি সংস্থাগুলিও অংশ নিতে পারবে।

*পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কিত সংস্কার: ভারতের শক্তিশালী স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমটিকে পারমাণবিক ক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। গবেষণার সুবিধা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি বিকাশ এবং ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.