বায়ুসেনার অভিযান নিয়ে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি জইশের মাদ্রাসা পড়ুয়ার

0
jaish e mohammad camp
এটাই ছিল জইশের ক্যাম্প।

ওয়েবডেস্ক: “একটা বড়ো বিস্ফোরণের আওয়াজ কানে এল, তার কিছু পরেই পাক সেনার জওয়ানরা আমাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে গেল।” নিজের আত্মীয়কে লেখা বালাকোটের জইশের মাদ্রাসার এক পড়ুয়ার এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি রিপোর্টে এমন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দৈনিককে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ওই পড়ুয়ার সঙ্গে কথোপকথনটি তুলে ধরেছেন তার আত্মীয়।

পড়ুয়ার বয়ানের ভিত্তিতেও ওই ব্যক্তি বলেন, “খুব বেশি দূরে বিস্ফোরণটি হয়নি।” এই বিস্ফোরণের আওয়াজে তাদের ঘুম ভেঙে গিয়েছিল জানায় ওই পড়ুয়া। তার আত্মীয়ের কথায়, “প্রথমে ঘুম ভেঙে গেলেও, পরেই আবার ঘুমিয়ে পড়ে। ভেবেছিল মনের ভুলে কিছু হয়তো শুনে ফেলেছে।”

পরের দিন ঘুম ভাঙতেই পাক সেনার জওয়ানরা তাদের ঘর ফাঁকা করে দিতে বলে। দু’তিন দিনের জন্য একটা নিরাপদ আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু দিন আগেই আবার ওই মাদ্রাসাতেই ওই পড়ুয়ারা ফিরে এসেছে বলে জানান ওই ব্যক্তি।

আরও পড়ুন বিশ্বের দশ দূষিত শহরের মধ্যে কলকাতার স্থান কোথায়?

উল্লেখ্য, বালাকোটে বিমানহানার পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে নানা রকম চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কত জনের মৃত্যু হয়েছে, সেই নিয়ে এক এক পক্ষ থেকে এক এক রকম দাবি করা হচ্ছে। আবার বিরোধীদের কেউ কেউ, এই বিমানহানার প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার দাবিও করছে। এ সবের মধ্যে সোমবার বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, মৃতদেহ গোনা তাঁদের কাজ নয়, তাঁরা শুধু লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে।

এই সবের মধ্যেই এই পড়ুয়ার দাবি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য যে ছড়াবে তা বলাই বাহুল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here