mahatma and modi

ওয়েবডেস্ক: গত শনিবার তখন ব্রিগেডে তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা ঐক্যবদ্ধ ভারত সমাবেশে সারা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্ব। তখন দমন ও দিউতে সেই সমাবেশকে কটাক্ষ করেই একের পর যুক্তি সাজিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চাল বেচাল হয়ে তো একবার বলেও ফেললেন, বাংলায় বিজেপির এক জন মাত্র বিধায়ক রয়েছেন। যদিও সেটা তিন। সেই ব্রিগেড সমাবেশের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই রবিরার দ্বিপ্রহরেও একই চর্চায় মোদী।

এ দিন মহারাষ্ট্র এবং গোয়ায় দলীর কর্মীদের সভায় হাজির হন মোদী। সেখানেও তাঁর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়েই সেই মহাজোটের কথাই। শনিবার তিনি বলেছিলেন, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন বলে, সব জায়গায় দালাল-রাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে, বিরোধীরা একজোট হয়ে তাঁর বিরোধিতা করছেন৷

রবিবারও তিনি বক্তব্যে প্রাধান্য দিলেন মহাজোটকেই। তিনি বলেন,” দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, নেতিবাচকতা আর অস্থিরতার মহাজোট তৈরি হয়েছে”। অন্য দিকে তাঁর দল বিজেপি মহাজোট করেছে দেশের ১২৫ কোটি মানুষের সঙ্গে। তিনি প্রশ্ন করেন, “এই দুই জোটের মধ্যে কোনটাকে আপনার শক্তিশালী বলে মনে হচ্ছে? কলকাতার ওই সমাবেশ মঞ্চে যে নেতারা উপস্থিত ছিলেন হয় তাঁরা কোনো প্রভাবশালী নেতার সন্তান অথবা কেউ গিয়েছিলেন তাঁদের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করতে। তাঁদের হাতে রয়েছে ধনশক্তি (টাকার জোর) আর আমাদের হাতে রয়েছে জনশক্তি (মানুষের সমর্থন)”।

[ আরও পড়ুন: নেপাল-ভুটানে ভ্রমণযাত্রার বৈধ নথির তালিকায় যুক্ত হল আধার কার্ড ]

মোদী এই মন্তব্য করছেন এমন একটি জনসভা সম্বন্ধে যেখানে ২৩টি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সেই সভা থেকে একাধিক অভিযোগ-দাবি উঠে আসে। ধরে ধরে একটার পর একটা দাবি-অভিযোগ খণ্ডন করছেন মোদী। যেমন তিনি বলেন, তাঁরা (বিরোধীরা) নিজেদের পরাজয় অবশ্যাম্ভাবী বুঝে গিয়েছেন বলেই এখন ইভিএম নিয়ে অভিযোগ তুলছেন। সব মিলিয়ে মোদী এ ধরনের দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, নেতিবাচকতা আর অস্থিরতার মহাজোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here