maharashtra land

ওয়েবডেস্ক: নাগপুর থেকে মুম্বই পর্যন্ত তৈরি হবে সুপার এক্সপ্রেসওয়ে। সেই এক্সপ্রেসওয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জমি সমস্যা। কৃষকরা তাদের জমি ছাড়তে নারাজ। কৃষকদের থেকে তাই জোর করে জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিল মহারাষ্ট্র সরকার।

জমি অধিগ্রহণের জন্য মহারাষ্ট্র সড়ক আইন কার্যকর করবে রাজ্য সরকার। এই মর্মে গত সপ্তাহেই একটি নির্দেশিকা জারি করেছে তারা। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যে কৃষকদের বিক্ষোভ যে আরও বাড়বে সেটা বলাই বাহুল্য। সরকারের ওপরে বিরোধীদের আক্রমণও যে আরও বাড়বে সেটা বলে দেওয়া যায়।

৭০১ কিমি এই সড়ক প্রকল্পের জন্য প্রায় ৭,২৯০ হেক্টর বেসরকারি জমি অধিগ্রহণ করা দরকার। এর মধ্যে এখনও ১,৪৮৫ হেক্টর বা কুড়ি শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি রাজ্য। এই জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ২৫ জুন পর্যন্ত জমির মালিকদের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। সেই সময়সীমা না মানা হলে সড়ক আইনের ১৮ নম্বর ধারাটি প্রয়োগ করা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, ২৫ জুনের পর জমি দিলে মালিকরা ক্ষতিপূরণ অনেক কম পাবেন বলেও বকলমে হুমকি দিয়ে রেখেছে সরকার।

তবে এই ঘটনা যদি সত্যি ঘটে, তা হলে কৃষকদের ক্ষোভ চরম আকার নিতে পারে বলে ইতিমধ্যেই সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো মানবাধিকার কর্মী উলকা মহাজন বলেন, “জোর করে জমি নেওয়া হলে, কৃষকদের মধ্যে বিক্ষোভ আরও বাড়বে। সরকার ঠিক কতটা জমি নেবে সেই ব্যাপারেও কোনো স্বচ্ছতা নেই।”

সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রেও এ বার সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-ভাঙড়ের ছায়া।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন