বিশাখাপত্তনমে চন্দ্রবাবুর সভামঞ্চ থেকে মোদীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ মমতার

0

ওয়েবডেস্ক: তিন মুখ্যমন্ত্রী ফের এক মঞ্চে। অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নায়ডু, দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার বিশাখাপত্তনমের জনসভায় একই মঞ্চে মহাজোটের বার্তা দিলেন। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য জুড়ে রইল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে চ্যালেঞ্জও। এ দিন বাংলা-তেলুগু-হিন্দি-ইংরাজি মিলিয়ে-মিশিয়ে বক্তব্য পেশ করেন মমতা।

এ দিন বিকেলে প্রিয়দর্শিনী স্টেডিয়ামে চন্দ্রবাবু নায়ডুর প্রচারে জনসভায় যোগ দিয়ে মমতা ফের একবার বিরোধী জোটের হয়ে সওয়াল করলেন। ঠিক একই কথা প্রতিধ্বনিত হল চন্দ্রবাবু এবং কেজরিওয়ালের বক্তব্যেও।

মমতা বলেন, “খুব বুঝে শুনে ভোট দিতে হবে, অনেক চিন্তাভাবনা করে ভোট দিতে হবে। প্রতিটি রাজ্যে থেকে দিল্লির রাস্তা দেখাতে হবে। অনেকে বড়ো বড়ো কথা বলেন। কিন্তু দেশের জন্য লড়াই করতে চান না। ফলে তাঁদের পক্ষে দেশের নেতা হওয়া মানায় না। মোদী প্রধানমন্ত্রী এটাই দুর্ভাগ্য। মোদী জামানায় সব থেকে বেশি বেকার। দেশকে বেকার করার চৌকিদার মোদী। নোটবন্দির চৌকিদার তিনি”।

[ আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটে বিজেপির খরচ কত? চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান পেশ করলেন সুপ্রিম কোর্টের তুখোড় আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ]

নিজের বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়েই তাঁর কণ্ঠে শোনা যায় মোদীর কড়া সমালোচনা। তিনি বলেন, “মিথ্যে কথা বলতে বলতে এমন হয়ে গিয়েছেন, মিথ্যে কথা বলাতেই এখন তিনি অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি। যে কারণে বক্তব্য পেশের সময় লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান মোদী”।

মমতা এ দিন দেশের ৫৪৩টি লোকসভা আসনের নিরিখে পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যাল পেশ করেন। যেখানে তিনি বলেন, “এ বারের লোকসভা ভোটে বিজেপি যদি ১২৫টির বেশি আসনে জয় পায়, সেটাই হবে সব থেকে বেশি আশ্চর্ষের। একটা ব্লকের নেতা হওয়ার যোগ্যতা নেই মোদীর। দেশকে বেঁচে দেওয়ার জন্য নেতা হয়েছেন মোদী। সমস্ত রাজ্য মিলেই তাঁকে হঠাতে হবে। তা না হলে দেশ বাঁচবে না”।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলায় শূন্য পাবে বিজেপি। বিজেপির অত্যন্ত খারাপ দিন আসছে”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.