Mamata Banerjee and Rahul Gandhi
ফাইলচিত্র

কলকাতা: আরও স্পষ্ট হয়ে যেতে চলেছে বিজেপি-বিরোধী জোটে কংগ্রেস-তৃণমূল অবস্থান। আগামী ৩০ আগস্ট কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী বৈঠক ডেকেছেন নয়াদিল্লিতে। আবার তার দু’দিন আগেই দিল্লি পাড়ি দিচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ওই বৈঠকে যে তিনি যোগ দিতে পারেন, তা প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি মেনে নিয়েও তৃণমূলনেত্রীর সঙ্গে বিজেপি-বিরোধী জোটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিকল্প পথের হদিশ মিললেও মিলতে পারে ওই বৈঠকে, এমনটাই আশাপ্রকাশ করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

এখনও পর্যন্ত যা খবর, রাহুলের ডাকা বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি-সহ ১৭টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। ফলে আগামী ২০১৯ লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি-বিরোধী জোটের সম্ভাব্য কর্মসূচির উত্থাপন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওই বৈঠকে। জাতীয় কংগ্রেস হাইকম্যান্ড ইতিমধ্যেই বলেছে, যে রাজ্যে যে আঞ্চলিক দল শক্তিশালী তার সঙ্গেই নির্বাচনী সমঝোতা করবেন তারা। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একটু জটিল। এখানে তৃণমূল এবং বামদলগুলির সঙ্গে বিজেপি বিরোধিতার দিক থেকে সমান সম্পর্ক বজায় রাখার পথ খোলা থাকলেও সমস্যা আরও গভীরে।


আরও পড়ুন: কলকাতায় এসে রাহুল গান্ধীর ‘১৯৮৪ দাঙ্গা’ মন্তব্যকে পক্ষান্তরে সমর্থন করলেন পি চিদম্বরম

অবশ্য তৃণমূলের একাংশের দাবি, আগামী নির্বাচনগুলিতে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে সরব হতেই দিল্লি যাচ্ছন মমতা। কারণ রাহুলের ডাকা বৈঠক এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিক ভাবে স্থির হয়েছে ওই বৈঠক ২৯-৩১ আগস্টের মধ্যে হতে পারে। ফলে মমতা দিল্লিতে থাকাকালীন বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে আরও সংঘবদ্ধ করে ইভিএম তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব হতে পারেন। এমনকি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যেতে পারেন।


পড়তে পারেন: চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হচ্ছে আগামী সোমবার


আবার একাংশের দাবি, ইভিএম-বিরোধিতা ঘোষিত কর্মসূচি হলেও বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে একত্রিত করাই এখন মূল লক্ষ্য মমতার। ফলে তিনি যদি রাহুলের ডাকা বৈঠকে উপস্থিত থাকেন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।