আলোয়ার: মঙ্গলবার মৃত্যু হল গোরক্ষা বাহিনীর হাতে প্রহৃত হওয়া এক ব্যক্তির। এই ঘটনার নিন্দা করতে গিয়ে প্রহারকারী এবং প্রহৃত, উভয়ের ওপরেই দোষ চাপালেন রাজস্থানে এক মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, শনিবার গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গোরক্ষা বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন পেহলু খান-সহ চার জন ব্যক্তি। জয়পুরের ‘পশু মেলা’ থেকে এই গরু কেনার বৈধ কাগজপত্র দেখালেও হামলাকারীদের হাত থেকে মুক্তি পাননি তাঁরা। বরং ট্রাক থেকে বের করে তাঁদের তাড়া করে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই মঙ্গলবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বছর পঞ্চান্নর পেহলু। বাকি চার জনের চিকিৎসা চলছে।

এই ঘটনার জন্য দু’ পক্ষকেই দায়ী করেন রাজস্থানের গৃহমন্ত্রী গুলাব চন্দ কাটারিয়া। অবশ্য গোরক্ষা বাহিনীর প্রতি কিছুটা যেন তাঁর সুর নরমই ছিল। গোরক্ষা বাহিনীকে গরুর ভক্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “সমস্যা দু’তরফেই। মানুষ যানে গরু পাচার বেআইনি, তাও তারা গরু পাচার করে। অন্যদিকে এই পাচার বন্ধ করতে গিয়েই অপরাধমূলক কাণ্ডকারখানায় জড়িয়ে পরে গরুর ভক্তরা।”

এই ঘটনায় দশ জনকে গ্রেফতার করার কথা বললেও, গোরক্ষা বাহিনীর প্রতি সুর নরম ছিল পুলিশের। “পুলিশের কাছে খবর আসে কয়েকজন গরু পাচার করে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে। আমরা কয়েকটা ট্রাককে আটকাই, কিন্তু আরও কয়েকটা ট্রাক পালিয়ে যায়। সেই ট্রাকগুলিকে স্থানীয় মানুষজন থামায় এবং তাদের চালকদের মারা হয়”, এমনই জানান পুলিশ আধিকারিক পরশ জঈন।

উল্লেখ্য, গত মাসে গরুর মাংস রাখার গুজবে জয়পুরে একটি হোটেলে হামলা চালানো হয়েছিল।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here