delhi murder mussoorie

নয়দিল্লি: আততায়ীকে এক বাক্যে কী বলা যেতে পারে? ভ্রমণপিপাসু খুনি স্বামী? অন্তত তাঁর কাণ্ডকারখানা দেখলে এ রকম কিছু মনে হতেই পারে। দিল্লিতে স্ত্রীকে খুন করে, শুধুমাত্র দেহ লুকোনোর জন্য পাড়ি দিলেন মুসৌরি। খুনি স্বামী এবং তাঁর কয়েক জন পরিজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।

স্ত্রীকে খুন করার কথাটি আট দিন ধরে ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিলেন বছর ৩৬-এর ললিত জৈন। দায়ের করেছিলেন মিসিং কমপ্লেনও। কিন্তু পার পেলেন না। শ্রীঘরে যেতেই হল। ললিত ছাড়া তাঁর বাবা, ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের ডিসিপি আসলাম খান জানান, স্ত্রী সিল্কির সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হত ললিতের। ৩ ডিসেম্বর সেই ঝগড়া ধ্বংসাত্মক রূপ নেয়। সে দিনই সিল্কিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ললিত। খুন করার পরে মুসৌরির উদ্দেশে যাত্রা করেন তাঁরা। ডিসিপি বলেন, “মুসৌরির কাছাকাছি পৌঁছে একটি খাদে দেহটা ছুড়ে ফেলে দেন তাঁরা।”

এর পরে নিজের বাড়ি ফিরে স্বাভাবিক কাজকর্মই করতে থাকেন ললিত। এমনকি সিল্কির মোবাইল ফোনও ব্যবহার করা শুরু করেন। আসলাম খান বলেন, “সিল্কি তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে ফোনে খুব একটা কথা বলত না। মাঝে এক দিন তাঁর মা ফোন করলে ললিত জানিয়ে দেয় সিল্কি ব্যস্ত রয়েছে।”

সোমবার থানায় মিসিং কমপ্লেন করেন ললিত। এই ব্যাপারে সিল্কির বাবা-মায়ের সঙ্গে দিল্লি পুলিশ যোগাযোগ করলে, তাঁরা জানান তাদের সন্দেহের তির ললিতের দিকেই। এর পরে পুলিশ ললিতকে টানা জেরা শুরু করলে ভেঙে পড়েন ললিত। জানিয়ে দেন তিনিই খুন করেছেন সিল্কিকে।

শুক্রবার উত্তরাখণ্ড পুলিশ, আইটিবিপি-এর সাহায্য নিয়ে খাদ থেকে সিল্কির দেহ উদ্ধার করে দিল্লি পুলিশ। ডিসিপি বলেন, “ললিতকে মুসৌরি নিয়ে যায় পুলিশের একটি দল। যে জায়গায় দেহটা ফেলা হয়েছিল সেটা চিহ্নিত করে পুলিশ। অনেক খাটুনির পরে দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here