আদালত শুক্রাণু সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের নির্দেশ দিলেও এখন কিন্তু কৃত্রিম গর্ভধারণ পদ্ধতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি।

খবর অনলাইন ডেস্ক: ২৯ বছরের লড়াই করছেন মৃত্যুর সঙ্গে। তিনি কোভিড আক্রান্ত। বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এমন পরিস্থিতিতে বডোদরার ওই যুবকের শুক্রাণু সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করা হল আদালতের নির্দেশে। কী কারণে?

রোগী এখন লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। তাঁর স্ত্রী গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গত সোমবার। আবেদন, মরণাপন্ন স্বামীর শুক্রাণু সংরক্ষণের অনুমতি দেওয়া হোক তাঁকে। যাতে পরবর্তীতে সেই শুক্রাণুর সাহায্যেই ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) পদ্ধতিতে অন্তঃসত্ত্বা হতে পারেন তিনি।

অ্যাসিসটেড রিপ্রডাক্টিভ টেকনোলজি বিলের বিধি অনুসারে যে কোনো লোকের শুক্রাণু তাঁর সম্মতি ব্যতীত সংগ্রহ করা যায় না। এই বিধির কারণেই ওই যুবকের স্ত্রীকে আদালতে যেতে হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আদালতের নির্দেশের উপর জোর দিয়েছিল। তবে গুজরাত হাইকোর্টে ওই আবেদনের শুনানি হয় মঙ্গলবার। স্ত্রীর আবেদনে মান্যতা দিয়ে আদালত ওই যুবকের শুক্রাণু সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের নির্দেশ দেয় স্টারলিং হাসপাতালকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁরা প্রাথমিক ভাবে এই আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, কারণ আইনে বলা হয়েছে, কোনো পুরুষের সম্মতি ছাড়া তাঁর শুক্রাণু সংগ্রহ করা যায় না। কিন্তু ওই যুবকের এখন মাল্টিপল অর্গ্যান ফেলিওর হয়েছে। যে কারণে তিনি এখন সম্মতি জানানোর অবস্থায় নেই। আদালতের তরফেও এ বিষয়েই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশ পেয়েই ওই যুবকের শুক্রাণু সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যা দীর্ঘ দিনের জন্য সংরক্ষণ করা হতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আদালত শুক্রাণু সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের নির্দেশ দিলেও এখন কিন্তু কৃত্রিম গর্ভধারণ পদ্ধতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। সম্ভবত, বৃহস্পতিবার ফের শুনানি হতে পারে এই মামলার।

প্রসঙ্গত, ভিট্রো কথাটির অর্থ শরীরের বাইরে। আইভিএফ পদ্ধতিতে শরীরের বাইরে জীবন সৃষ্টি করা হয় বলে একে ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বলে। চলতি কথায়, টেস্ট টিউব বেবি।

আরও পড়তে পারেন: নতুন করে কোভিড আক্রান্ত সামান্য কমল, সক্রিয় রোগী ঊর্ধ্বমুখী

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন