ইস্তফা দিতে চাইলেন মনোজ তিওয়ারি

নয়াদিল্লি: দিল্লি বিধানসভা ভোটে বিজেপির আশানুরূপ ফল না হওয়ার কারণে দিল্লি বিজেপির সভাপতিপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন মনোজ তিওয়ারি। গত মঙ্গলবার ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর দলীয় ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছিলেন এই গায়ক-অভিনেতা রাজনীতিবিদ।

বুধবার তিনি দিল্লি বিজেপির সভাপতিপদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান দলের উচ্চনেতৃত্বের কাছে। তবে দল তাঁকে জানিয়ে দেয়, এখনই তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারণ করা সম্ভব নয়। দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমেই এটা সম্ভব। বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী দু’-তিন মাসের মধ্যেই দিল্লিতে সাংগঠনিক নির্বাচন হতে পারে। সেখানেই মনোজ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

গত ২০১৬ সালে দিল্লির দলীয় দায়িত্ব দেওয়া হয় মনোজকে। মূলত পূর্বাঞ্চলীয় ভোটারদের কথা মাথায় রেখেই তাঁর উপর অনেকটা ভরসা করেছিল দল। কিন্তু এ বারের ভোটে মনোজ ওই ভোটারদের বিজেপির কাছে টানতে পারেননি, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বুরারির মতো কয়েকটি কেন্দ্রে।

ফলাফল ঘোষণার দিন একের পর এক আসনে শাসক দল আপ-এর বিজয় দেখে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে মনোজ বলেছিলেন, “হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গত ২০১৫ সালের তুলনায় বিজেপির ভোট বেড়েছে, বাড়ছে আসনও। ২০১৫-তে বিজেপি পেয়েছিল ৩২ শতাংশ ভোট এবং তিনটি আসন। এ বার ভোট বেড়ে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি হতে চলেছে”। তিনি বলেন, “আমরা ভালো পারফর্ম করেছি। তবে মূল্যায়ন করতে হবে। আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে”।

দুই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সম্পর্কে তাঁর কথা, “কংগ্রেস অস্তিত্বহীন হয়ে যাচ্ছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে”।

আরও পড়ুন: কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে! ফল বেরোতেই ‘রিঙ্কিয়াকে পাপা’-এ তুমুল নাচ আপ কর্মীদের, ভাইরাল সেই ভিডিও

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন মনোজ। আচমকা তাঁর পদোন্নতি ঘটে যায়। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে তিনি দিল্লি থেকেই জয়ী হন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.