প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: সংখ্যাটা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠে যেতে পারে। ২১ লক্ষ। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে ভারতীয় রেলের বিভিন্ন ট্রেনের বাতানুকূল বগি থেকে ঠিক এই সংখ্যক তোয়ালে, বেডশিট, কম্বল, বালিশের ঢাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। রেলের এক আধিকারিকের কথায়, এই সব বগিতে ভ্রমণ করা যাত্রীরাই এই ঘটনার জন্য দায়ী। তবে বিরুদ্ধ একটা মতও উঠে আসছে।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, গত অর্থবর্ষে ১২,৮৩,৪১৫টা তোয়ালে, ৪,৭১,০৭৭টা বেডশিট, ৩,১৪,৯৫২টা বালিশের কভারের কোনো খোঁজ নেই। এ ছাড়াও ৫৬,২৮৭টা বালিশ এবং ৪৬,৫১৫টা কম্বলও উধাও।

রেল জানিয়েছে, এর জন্য ১৪ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। রেলের হিসেবে দিনে ৩.৯ লক্ষ বেডরোল দেওয়া হয়। এক একটি বেডরোলে থাকে দু’টি করে বিছানার চাদর, তোয়ালে, বালিশ এবং একটি কম্বল। তবে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা অন্য কথা বলে। বেডরোলে বেশির ভাগ সময়েই তোয়ালে থাকে না। না চাইলে তোয়ালে পাওয়া যায় না।

পূর্ব রেলের তরফে জানা গিয়েছে, গত অর্থবর্ষে ১,৩১,৩১৩টি তোয়ালে, ২০,২৫৮টি বেডশিট, ৯,০০৬টা বালিশের ঢাকা, ১,৫১৭টা বালিশ এবং ১,৯১৩টা কম্বল উধাও হয়েছে।

আরও পড়ুন সরে যাচ্ছে গজ, এ রাজ্যে শীত কি এবার আসবে?

এখন প্রশ্ন উঠছে, সব চুরির জন্য যাত্রীদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়া কি ঠিক? ট্রেন যাত্রীদের একাংশের মতে, বাতানুকূল কামরায় ভ্রমণ করলে অনেক সময়েই তোয়ালে চাইলেও পাওয়া যায় না। বগির দায়িত্বে যিনি থাকেন তাঁকে বারবার অনুরোধ করার পরে তোয়ালে পাওয়া যায়। বেডরোলের দায়িত্বপ্রাপ্তরাই এই জিনিসগুলো আগে থেকে সরিয়ে নেন না তো?

আরও একটা মত হল, তোয়ালের মতো ছোটো জিনিস যাত্রীরা যদিও চুরি করে নিজেদের ব্যাগে ঢুকিয়ে নিতে পারে, কিন্তু কম্বলের মত বড়ো জিনিস কি ব্যাগে ঢোকানো সম্ভব, বাকি সব যাত্রীর চোখের সামনে?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here