matawati-bsp

বেঙ্গালুরু: প্রায় ১২ মাস পর ফের রাজনৈতিক বড়ো কোনো জনসভায় বক্তব্য রাখলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী। মাঝে স্থানীয় ভাবে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিলেও সর্ব ভারতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন প্রায় একটা বছর। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার সঙ্গে আসন সমযোজা করে শনিবার অংশ নিলেন প্রকাশ্য জনসভায়। আর এই ঘটনা থেকেই সম্ভবত শুরু হয়ে গেল আগামী ২০১৯ সাধারণ নির্বাচনের জোট রাজনীতির জটিল সিঁড়ি ভাঙা অঙ্ক কষার কাজ।

রাজনৈতিক মহলের মতে, সাম্প্রতিক কালে দেশের রাজধানীতে দু’টি বড়োসড়ো বৈঠকে হয়ে গিয়েছে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। তবে প্রতিনিধি পাঠালেও সম্ভাব্য জোট নিয়ে কোনো তরফেই মুখ খোলা হয়নি। উল্টে বিএসপি নেত্রী কিছুদিন আগেও বলেছিলেন, অন্য কোনো দলের সঙ্গে তিনি সমঝোতায় প্রস্তুত নন। আবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিরোধী জোটের প্রয়োজনীয়তা কথা মেনে নিলেও নেতৃত্বে গররাজি ছিলেন। কিন্তু কর্নাটকের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেবগৌড়ার জেডিএসের সঙ্গে মায়াবতীর আসন সমঝোতা, ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়ে রাখল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: টি ফর টম্যাটো: কৃষককে শীর্ষে (টপ) রাখতে গিয়ে কর্নাটকে বললেন মোদী

মায়াবতীর ইতিহাস বলছে, তিনি ১৯৯৬ সালের পর থেকে একটি বারের জন্য ভোট-পূর্ববর্তী আসন সমঝোতায় ৈআগ্রহ দেখাননি। তবে কি নিজের দলের রাজনৈতিক সংকটের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই এহেন সিদ্ধান্ত, এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করল শনিবার জেডিএসের নির্বাচনী প্রচার মঞ্চে তাঁর উপস্থিতির পর।

জানা গিয়েছে, কর্নাটকের ২২৪টি আসনের মধ্যে বিএসপি লড়বে মাত্র ১৪টিতে। এতে কি ‘হাতি’র পেট ভরবে? প্রশ্ন তুলছে জাতীয় কংগ্রেস। কারণ, কর্নাটকে মায়াবতীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মানেই একটা অংশের দলিত ভোট কংগ্রেসের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here