১৯৯৫-এ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সময়েও বিধানসভার সদস্য ছিলেন না মায়াবতী

0
Mayawati
মায়াবতী। ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: বুধবার বিএসপি নেত্রী মায়াবতী জানিয়ে দিয়েছেন, এ বারের লোকসভা ভোটে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না! কিন্তু তার পরেও দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীদের লড়াইয়ে টিকে রইল তাঁর নাম। এ প্রসঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন প্রায় আড়াই দশক আগের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সময়কার ঘটনাকে। সে বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রিত্বগ্রহণের সময়েও তিনি সদস্য ছিলেন না উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার।

মায়াবতী ওই দিন বলেন, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। নিজের ভোটে লড়ার বিষয়টি তাই এখন ভাবছি না। বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় এবং জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে আসন্ন লোকসভা ভোটে না-লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি”। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, “সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সঙ্গে আমাদের দলের জোট ভাল ফল করবে। যদি মনে হয়, পরে যে কোনও একটি আসন খালি করিয়ে সেখান থেকে ভোটে লড়তে পারি”।

অর্থাৎ, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগাম এই বক্তব্য থেকেই পাওয়া গিয়েছে সেই ইঙ্গিত। উত্তরপ্রদেশের বিএসপি-এসপি জোট ভালো ফল করলে পাশাপাশি দেশ জুড়ে বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সামনে সরকার গঠনের পাল্লাভারী থাকলেও মায়াবতীকেও যে প্রধানমন্ত্রিত্বের লড়াইয়ে আসরে নামতে দেখা যাবে, সেটাও অস্বাভাবিক নয়।

মায়াবতীর কথায়, “আমি জানি, আমি যে কোনও আসনেই জিততে পারি৷ আমাকে খালি মনোনয়ন পত্র জমা দিতে হবে। বাকিটা আমার দলের কর্মীরা বুঝে নেবেন। বিজেপি-কে হারাতে আরএলডি ও এসপি-র সঙ্গে শক্তিশালী জোট গড়েছি আমরা। আমাদের কাছে এই মুহূর্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল, বেশি করে আসন যেতা৷ আমার একটি আসনে জেতা নিয়ে কিছু এসে যায় না। আমি আন্দোলনের স্বার্থে এর আগে রাজ্যসভায় পদত্যাগ করেছি”।

[ আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের জন্যই বাংলায় এতটা জোর দিচ্ছে বিজেপি? ]

জল্পনা বাড়িয়ে মায়াবতী আরও বলেন, “১৯৯৫ সালে আমি যখন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হই, তখন বিধানসভা বা কাউন্সিলের সদস্য ছিলাম না। ফলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে ছ-মাসের মধ্যেই ভোটে জিতে আসাটাও কোনো কঠিন কাজ নয়”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.