নারে

ওয়েবডেস্ক: কখনও ভেবে দেখেছেন, আপনার নামের সঙ্গে যদি আপনার দেশের কোনো বড়ো সেলিব্রিটির নাম মিলে যায় তা হলে আপনার কী দশা হতে পারে? আর সেই বিখ্যাত সেলিব্রিটি যদি স্বয়ং ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন?

ঠিক সে রকমই কিছু হচ্ছে ঔরঙ্গাবাদের নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। না তিনি প্রধানমন্ত্রী নন, ৪২ বছর বয়সি এক কলেজ শিক্ষক। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর মিল শুধু নামেই। এই নামের মিলের ফলে বেশ কিছু সমস্যারও সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে।

এই নরেন্দ্র মোদী কিন্তু নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী নন, নরেন্দ্র চন্দ্রকান্ত মোদী। তাঁকে নিয়ে একটি বিশেষ খবর করেছিল এবিপি নিউজ। সেখানে নরেন্দ্র বলেন, কুড়ি বছর আগে মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন থেকেই লোকে তাঁকে চিনতে শুরু করেছে। আর এখন তো নিজের পাড়া, কলেজ, সামাজিক জীবনে নামো হিসেবেও পরিচিত তিনি।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নামের সঙ্গে মিল হয়ে যাওয়ায় তাঁকে বিস্তর সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। যখনই কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়, প্রথমে কেউ তাঁর নাম বিশ্বাস করতে চায় না। নিজের নামের প্রমাণ দিতে তাই নিজের সঙ্গে সব সময়ে একটি পরিচয়পত্র রেখে দেন নরেন্দ্র। শুধু কী তাই! ফেসবুকে এক বার তাঁর অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল, কারণ প্রধানমন্ত্রীর ভুয়ো নাম নিয়ে প্রোফাইল খোলার অভিযোগ গিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে। তিনি যে সত্যিই নরেন্দ্র মোদী, সেটা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে বোঝালে ফের তাঁর অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় হয়।

তাঁর পরিচয়পত্র তাঁর নামের প্রমাণ হলেও, নরেন্দ্রের দাবি আধার কার্ড করানোর সময়ে বিস্তর সমস্যা হয়েছিল তাঁর। নরেন্দ্রের মা বলেন, ৪২ বছর আগে যখন তিনি ছেলের নাম রেখেছিলেন তখন কোনো ধারণাই ছিল না যে চার দশক পরে তাঁদের জীবনে কী হতে পারে। তবে সমস্যা যেমন আছে মজাও আছে তাঁদের জীবনে।

নরেন্দ্রের মেয়ের স্কুলে তার সহপাঠিরা তাকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে বলে ডাকে। প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে বলে ডাকে শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। এ সবের মধ্যেই জীবন চলে নরেন্দ্র মোদীর। নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে গর্বিত তাঁর নিজের শহর ঔরঙ্গাবাদও।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন