army chief kashmiri students

নয়াদিল্লি: কোরানে খুব সুন্দর ভাবে অঙ্কিত করা রয়েছে শান্তির বার্তা। যারা কোরান বোঝে না, তারাই হিংসার আশ্রয় নেয়। এক দল কাশ্মীরি পড়ুয়াকে এ কথাই বললেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। কাশ্মীরের মন জয়ের আরও একটা ধাপ।

সেনার আয়োজন করা জাতীয় একতা সফরে দিল্লি এসেছে ২৫ জন মাদ্রাসাপড়ুয়ার একটি দল। এই দলের সঙ্গেই দেখা করেন রাওয়াত। কাশ্মীর উপত্যকার উন্নতির জন্য সন্ত্রাসের পথে না গিয়ে পড়ুয়াদের ক্রিকেট এবং ফুটবল খেলার বার্তা দেন রাওয়াত।

রাওয়াত পড়ুয়াদের প্রশ্ন করেন, “তোমাদের মধ্যে কত জন কোরান পড়েছ?” এর পর তিনি বলেন, “আমি বলছি কোরানে কীসের বার্তা দেওয়া রয়েছে। কোরানে দেওয়া রয়েছে শান্তির বার্তা। শান্তির বার্তা খুব সুন্দর ভাবে অঙ্কিত করা আছে কোরানে। আইএস জঙ্গিরা যা করে সেই ব্যাপারে কিন্তু কোরানে কোনো বার্তাই দেওয়া নেই।” পড়ুয়াদের ভালো করে কোরান পড়ারও আবেদন করেন রাওয়াত।

পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের কাশ্মীর এবং দিল্লির মধ্যে পার্থক্য বোঝান রাওয়াত। তাঁর কথায়, “কাশ্মীরের মতো এখানে বাঙ্কার দেখা যায় না। রাতে মানুষজন শান্তিতে ঘুরে বেড়াতে পারে। আমরাও চাই কাশ্মীরের ঠিক একই রকম শান্তি ফিরে আসুক। স্কুল এবং মাদ্রাসায় পড়ুয়ারা যাতে নিশ্চিন্তে যেতে পারে, এই পরিবেশ তৈরি করতে হবে আমাদের। তার জন্য সবার আগে জরুরি সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করা।” কাশ্মীরে উপত্যকাকে যে স্বর্গের সঙ্গে তুলনা করা হয় সে কথাও বলেন রাওয়াত।

দিল্লি সফরে এসে এবং রাওয়াতের সঙ্গে দেখা করে খুশি বছর তেরোর আব্দুল হামিদ। তার কথায়, “দিল্লিতে এসে খুব খুশি আমি। এই প্রথম ট্রেনে উঠলাম আমি।” এক সেনাকর্তার কথায়, তাজমহল দর্শন করেছে দলটি। এর পর তাদের লাল কেল্লা এবং জামা মসজিদ দেখানো হবে।”

এক দিকে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনা, অন্য দিকে যুব সমাজকে সন্ত্রাসের রাস্তা থেকে সরিয়ে আনার জন্য তাদের সঙ্গে আরও জনসংযোগ বাড়ানো হচ্ছে। এই জনসংযোগের একটা ধাপ হিসেবেই এই দলটিকে দিল্লি সফর করাল সেনা। ভবিষ্যতে আরও এ রকম পদক্ষেপ করার চিন্তাভাবনা চলছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here