Me Too

নয়াদিল্লি: #মি টু-র ঝড় বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রসারিত হয়ে ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের অন্দর মহলে। গত মঙ্গলবারই সাংবাদিক প্রিয়া রামানি অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এম জে আকবর তাঁকে মুম্বইয়ের একটি হোটেলে ডেকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন। রাত পোহাতেই তাঁর বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ তুললেন ‘দ্য এশিয়ান এজ’-এর রেসিডেন্ট এডিটর সুপর্ণা শর্মা।

দিল্লিতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধির কাছে সুপর্ণা বলেছেন, “এম জে আকবর আচমকা আমার ব্রা-এর ফিতে ধরে টান দেন। বলেন, এমন কিছু বলো যা তুমি এ মুহূর্তে মনে করতে পারছ না”। সুপর্ণা বলেন, “আচম্বিত এমন পরিস্থিতিতে পড়ে আমি চিৎকার করে উঠেছিলাম”।

আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে প্রথম সরব হন প্রিয়া রামানি। এর পরই একে একে বাড়তে থাকে সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত জানা যা খবর, তাতে জানা গিয়েছে, হাফডজন নিগৃহীতা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রিয়ার পরেই আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর একদা সহকর্মী প্রেরণা সিং বিন্দ্রা। গত রবিবারই তিনি যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুললেও নাম প্রকাশ করেননি। তবে প্রিয়ার বিস্ফোরণের পরই তিনি মঙ্গলবারেই আকবরের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন।

#মি টু: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ সাংবাদিকের

একই ভাবে ১৯৯৫ সালে কলকাতার তাজ বেঙ্গল হোটেলে ‘দ্য এশিয়ান এজের’ একটি ইন্টারভিউয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন সাংবাদিক শুমা রাহা। নিজের অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করে তিনি টুইটারে লিখেছেন, “পুরো ইন্টারভিউটাই চলেছিল একটি শোওয়ার বিছানায় বসে। যেখানে উত্তেজক পানীয়ও মজুত ছিল”। আকবরের বিরুদ্ধে #মি টু ক্যাম্পেনে যোগ দিয়েছেন অপর এক সাংবাদিক সুতপা পাল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন