Sandhya Mridul

ওয়েবডেস্ক: ১৯৯০ সালে ছোটোপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তারা’-র চিত্রনাট্য বিনতা নন্দা অভিযোগ করেছেন- দেশের সব চেয়ে ‘সংস্কারী’ অভিনেতা (অলোক নাথ) তাঁর ধারাবাহিকের নায়িকা এবং তাঁকেও ধর্ষণ করেছেন একাধিকবার! ফের তাঁর বিরুদ্ধে সরব হলেন ছোটোপর্দারই আর এক অভিনেত্রী।

টেলিভিশনের মেগা সিরিয়ালের সূচনাপর্বে ‘স্বাভিমান’, ‘আশীর্বাদ’ বা ‘কৌশিশ’ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ওই সিরিয়ালেরই পরিচিত মুখ সন্ধ্যা মৃদুল। তিনি বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা অলোক নাথের সঙ্গে একটি টেলিফিল্মে কাজ করেছিলেন। এক জন অত্যন্ত ভালো বাপুজি-র মেয়ের চরিত্রে অভিনয়কারী সন্ধ্যা সবিস্তারে তুলে ধরেছেন অলোক নাথের অন্ধকার দিকগুলির কথা।

বিনতার মতোই সন্ধ্যাও যে অলোক নাথের ‘ঘৃণ্য প্রবৃত্তি’র শিকার হয়েছিলেন, সে সব কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন।

সন্ধ্যা লিখেছেন, কোদাইকানালে ওই টেলিফিল্মের শুটিং হয়। সেখানেই ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে ‘বাপুজি’-র মুখোশ। মদে মত্ত হয়ে থাকতেন অলোক নাথ। সন্ধ্যা জানিয়েছেন, সেটের অন্যান্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে হোটেল নিজের রুমের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেখানে তাঁর পথ আটকে দাঁড়ান অলোক নাথ। তিনি আপত্তিকর ‘খোঁচা’ দেন তাঁকে। স্বভাবতই সন্ধ্যা চিৎকার করে ওঠেন। পাশাপাশি অলোক নাথও তারস্বরে বলতে থাকেন, “আমি তোমাকে চাই, তুমি আমার…”।

হেয়ার ড্রেসারকে নিয়ে নিজের রুমে ঢুকে যাওয়ার পরেও শান্ত হননি অলোক নাথ। তিনি হোটেলের ল্যান্ডলাইন নাম্বারে ফোন করতেই থাকেন। সন্ধ্যা জানিয়েছেন, তিনি চাপা আতঙ্ক নিয়েই ওই টেলিফিল্মে শুটিং করতেন। এক দিন মদ্যপ অবস্থায় অলোক নাথ ফের তাঁকে শোনাতে শুরু করেন নিজের পরিবারের কথা। তিনি জানান, তাঁর পরিবারের জন্যই তাঁর জীবন ছারখার হয়ে গিয়েছে। ইত্যাদি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন