ওয়েবডেস্ক: পুরোদমে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল মিঠুন চক্রবর্তীর উধাগামণ্ডলমের পাঁচতারা হোটেলে। কিন্তু সেখানে যখন পুলিশের একটি দল পৌঁছল গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে, স্বাভাবিক ভাবেই ভেস্তে গেল অনুষ্ঠান। বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগেই শনিবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতে হল মিঠুনের স্ত্রী যোগিতা বালি এবং ছেলে মহাক্ষয় চক্রবর্তীকে।

জানা গিয়েছে, এ রকমটা হতে পারে তা অনুমান করে আগেই বম্বে হাই কোর্টে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিল চক্রবর্তী পরিবার। কিন্তু বম্বে হাই কোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। স্পষ্ট জানায়, আগাম জামিনের জন্য তাঁদের দ্বারস্থ হতে হবে দিল্লি আদালতের, যেখান থেকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশকে এফআইআর গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এর পর দিল্লি আদালতে গেলে স্পেশ্যাল জজ আশুতোষ কুমার ১ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে আগাম জামিন দিয়েছেন মহাক্ষয় এবং যোগিতাকে। বিচারক জানিয়েছেন, সমাজের সম্মানীয় ব্যক্তি বলে আশা করা যাচ্ছে যে তাঁরা বিচারব্যবস্থার সঙ্গে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করবেন। পাশাপাশি, তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময়ে যে কোনো জায়গায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের।

খবর বলছে, পুলিশ এসে যখন উধাগামণ্ডলমে মহাক্ষয় এবং তাঁর মা যোগিতাকে গ্রেফতার করেন, তখন পাত্রীপক্ষ আর উপায় নেই দেখে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। তাঁরা সেই রাতেই ফিরে এসেছেন মুম্বইতে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ আপাতত ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে। মুম্বইয়ে কর্মরত রাজধানীর এক তরুণী অভিযোগ এনেছিলেন, এক পার্টিতে আলাপ হওয়ার পরে মহাক্ষয় তাঁর পানীয়তে ড্রাগ মিশিয়ে জোর করে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এর পরে বছর তিনেক ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মহাক্ষয় ক্রমাগত তাঁকে ব্যবহার করে গিয়েছেন বলে তরুণীর অভিযোগ। তরুণী আরও জানিয়েছেন, তিনি মা হতে চললে মহাক্ষয় নিজেই ওষুধ দিয়ে তাঁকে গর্ভপাতে বাধ্য করান। পাশাপাশি তরুণী আরও অভিযোগ করেন, এ নিয়ে চক্রবর্তী পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে গেলে মহাক্ষয়ের মা যোগিতা বালি তাঁর প্রাণনাশের হুমকি দেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here