গণপ্রহারের ঘটনা নৃশংস, কিন্তু ধর্মের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই: বেঙ্কাইয়া নাইড়ু

0
185

নয়াদিল্লি: গোরক্ষার নামে গত এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত তিন জন মুসলিম উন্মত্ত জনতার রোষের বলি হয়েছেন। সর্বশেষ ঘটনাটি বৃহস্পতিবার ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রামগড় জেলায়। গোরক্ষার নামে মানুষের খুনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বঘোষিত গোরক্ষাবাহিনীদের সতর্ক করলেও, তা যে কারও কানেই পৌঁছোয়নি সেটা রামগড়ের ঘটনাতেই প্রমাণ হয়ে যায়।

ঘটনাটিকে অত্যন্ত নৃশংস বলে আখ্যা দেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইড়ু। তবে ঘটনাটি ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেই মন্তব্য করেন তিনি। সংবাদসংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, “এটা খুব নৃশংস ঘটনা। সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করা উচিত। কিন্তু এর সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই।”

আরও পড়ুন ২০১০-এর পর গো-হিংসায় নিহতদের ৮৬% মুসলিম, মোদী-জমানাতেই ৯৭% ঘটনা

উল্লেখ্য গত কয়েক মাসে যে সমস্ত গণপ্রহারের ঘটনা ঘটেছে, তার বেশির ভাগই গরুকেন্দ্রিক। কখনও গরুর মাংস নিয়ে যাওয়ার গুজবে খুন করা হয়েছে দুধ ব্যবসায়ী পেহলু খান বা বছর ষোলোর কিশোর জুনায়েদকে, আবার কখনও গরুর মাথাহীন দেহ পাওয়া গিয়েছে তার বাড়ির সামনে, এই গুজবে ঝাড়খণ্ডের এক দুধ ব্যবসায়ীর বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

একটি সমীক্ষা বলছে, ২০১০-এর পর থেকে যত গরুকেন্দ্রিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার ৯৭ শতাংশই ঘটেছে মোদী জমানায়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, এই ঘটনাগুলির ফলে শাসকদল যে চাপে পড়েছে তা প্রধানমন্ত্রী এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here