ওয়েবডেস্ক: “বার্লিনের প্রাচীর যদি ধ্বংস হতে পারে, তা হলে কর্তারপুর সাহিবও দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে।” গুরু নানকের জন্মদিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে এই কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি সুখবীর সিংহ বাদলও। তিনি বলেন, “কেউ কী কখনও ভেবেছিল বার্লিনের প্রাচীর ভেঙে পড়বে। এমনও হতে পারে, যে সবার আশীর্বাদে কর্তারপুর করিডোর, শুধু করিডোরই থাকবে না। দুই দেশের মানুষের মধ্যে মিলনও ঘটাবে।”

পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের নরওয়াল জেলায় অবস্থিত এই কর্তারপুর সাহিবে জীবনের ১৮টা বছর কাটিয়েছিলেন গুরু নানক। ভারতের পঞ্জাবে গুরুদাসপুর জেলায় অবস্থিত ডেরা বাবা নানক থেকে কর্তারপুর সাহিব পর্যন্ত একটি করিডোর তৈরি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি ছিল পঞ্জাবের মানুষের। এই দাবিমতো কেন্দ্র জানায় ডেরা বাবা নানক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত করিডোর তৈরি করবে তারা। প্রত্যুত্তরে পাকিস্তানও জানিয়েছে সীমান্ত থেকে কর্তারপুর সাহিব পর্যন্ত করিডোর করবে তারাও। সামনের বছর গুরু নানকের সাড়ে পাঁচশোতম জন্ম জয়ন্তী। তখনই এই করিডোর খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন ‘শৃঙ্খলাবদ্ধ মিছিল’-এর আশ্বাস দিলেও ভিএইচপির রামমন্দির র‍্যালি ঘিরে থমথমে অযোধ্যা

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে তৈরি হয় বার্লিনের প্রাচীর। ভাগ হয়ে যায় দুই জার্মানি। কিন্তু দু’প্রান্তে দুই জার্মানির মানুষের চেষ্টায় ১৯৮৯ সালে ধ্বংস করা হয় সেই প্রাচীরকে। আবার ঐক্যবদ্ধ হয় জার্মানি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here