ওয়েবডেস্ক: বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। পটনায় প্রস্তাবিত মেট্রোরেল প্রকল্পের শিলান্যাস করার পরই মোদীর প্রশংসা করেন বিজেপির বিদ্রোহী সাংসদ। শেষ কয়েক বছর মোদী এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে লাগাতার আক্রমণের পর আচমকা তাঁর এই ইউ-টার্নের কারণ কী?

বিহার বিজেপির তরফে রাজ্য বিজেপি সভাপতি নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, অবশেষে কিছু একটা সত্যি কথা স্বীকার করার জন্য শত্রুঘ্নর কাছে তাঁরা কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, “এই ইউ-টার্নের আসল কারণ নিজের পুরনো কেন্দ্রে বিজেপির টিকিট নিশ্চিত করা”।

তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, “শেষবেলায় এসে শত্রুঘ্ন যতই তদ্বির করুন, বিজেপির দরজা তাঁর জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে”। উল্লেখ্য, মোদী এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ওই দিন ৩০,০০০ কোটি টাকার মেট্রোরেল প্রকল্পের শিলান্যাস করার পরই শত্রুঘ্ন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।

যদিও কয়েক দিন আগে পর্যন্ত যতটা সম্ভব মোদী এবং বিজেপি বিরোধিতার মাত্রা বাড়িয়েছেন পটনা সাহিবের বিজেপি সাংসদ। তাঁর আক্রমণের নিশানা থেকে বাদ পড়েননি বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-ও। অতিসম্প্রতি তিনি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে কলকাতার ব্রিগেড সভায় হাজির হয়েছিলেন। একই ভাবে গত সপ্তাহে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কেন্দ্র-বিরোধী ধরনামঞ্চ থেকেও তিনি তোপ দেগেছিলেন মোদীর উদ্দেশে। তিনি দাবি করেছিলেন, রাফাল নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়া দরকার।

[ আরও পড়ুন: শিবরাত্রিতে রাজ্য জুড়ে বিশেষ কর্মসূচি বিশ্বহিন্দু পরিষদের ]

এর পরই দিন কয়েক কাটতেই তাঁরই মুখে মোদীর প্রশংসা শুনে বিস্ময়প্রকাশ করছেন রাজনীতির কারবারিরা। শত্রুঘ্ন অবশ্য আগেই জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অন্য হলেও স্থান একই থাকতে চলেছে। অর্থাৎ, বিজেপি টিকিট না দিলেও তিনি অন্য কোনো দলের প্রতীকে নিজের কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here