প্রবল প্রতিপক্ষের জন্যই জেলে যাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন অনিল অম্বানি

0
anil ambani
অনিল অম্বানি।

মুম্বই: প্রায় পনেরো বছর আগে আলাদা হয়ে গিয়েছেন দুই ভাই, মুকেশ এবং অনিল। কিন্তু অনিলের কঠিন সময়ে তাঁর ত্রাতা হয়ে পাশে দাঁড়ালেন মুকেশ। দাদার জন্যই জেলে যাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন অনিল অম্বানি।

সোমবারই এরিকসন সংস্থাকে বকেয়া প্রাপ্য হিসেবে ৫৫০ কোটি টাকা দিয়েছে অনিল অম্বানির আরকম সংস্থা। উল্লেখ্য, ইচ্ছাকৃতভাবে সুইডেনের এই সংস্থাটির প্রাপ্য অর্থ না মেটানোয় গত মাসের শেষের দিকে আদালত অবমাননার কোপে পড়েছিলেন অনিল আম্বানি। এরিকসন সংস্থার বকেয়া প্রাপ্য মেটানোর জন্য আরকম সংস্থাকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেটা না মেটাতে পারলে অনিল অম্বানিকে জেলে পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছিল আদালত।

এই টাকা মেটাতে গিয়েই কালঘাম ছুটে যায় অনিলের। কী ভাবে কী করবেন, সেটা যখন তিনি ভেবে পাচ্ছিলেন না, তখনই ভাইয়ের পাশে দাঁড়ালেন মুকেশ আম্বানি। মুকেশ ছাড়াও দেওরের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ান নীতা অম্বানিও। অনিলকে অর্থসাহায্য করেছেন এই দু’জনে। এর জন্যই জেল যাওয়া থেকে বেঁচেছেন অনিল।

আরও পড়ুনরাত দুটোয় শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৯ সমর্থনকারী বিধায়কের ৮ জনই মন্ত্রী

এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতি দিয়ে দাদা-বৌদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনিল। তিনি বলেন, ‘‘এই সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য দাদা মুকেশ ও নীতাকে অনেক ধন্যবাদ।’’ পাশাপাশি অনিল বলেছেন, বিপদের সময় তাঁর পাশে মুকেশ-নীতারা দাঁড়িয়ে পরিবারের গুরুত্ব কতটা তা বুঝিয়েছেন। পারিবারিক মূল্যবোধের এক যথার্থ প্রদর্শন সামনে রেখেছেন তাঁরা। দাদা-বৌদিকে পাশে পেয়ে তিনি যে আপ্লুত সে কথাও হাবেভাবে বুঝিয়েছেন আরকমের মালিক।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ধীরুভাই অম্বানির মৃত্যুর পরেই আলাদা হয়ে যান মুকেশ এবং অনিল। দু’জনেই ছিলেন একে অপরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী। অনিল-মুকেশের মা কোকিলাবেনের বার বার আবেদনের পরেও দুই ভাই এক হননি।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.