Connect with us

খবর

মুকুলের ছয় তৃণমূল ত্যাগী বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে টানাপোড়েন!

jayanta mondal

জয়ন্ত মণ্ডল

আগরতলা: ৪২.২৯, টাউন বরদোয়াল: ৫৭.৪৫, রাধাকিশোরপুর: ৫০.২৩, করমছরা: ৪৯.৭৭, বাধারঘাট: ৪৯.২৫, ধর্মনগর: ৫০.৯৯

নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী এটাই ছিল ত্রিপুরার ওই ছ’টি বিধানসভা আসনে গত ২০১৩ সালের নির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ হার। অর্থাৎ সংখ্যাগুলিতে চোখ বুলোলেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, এই ছ’টি আসনেই কংগ্রেস প্রার্থী জয়লাভ করেছিলেন প্রায় অর্ধেকাংশ বৈধ ভোট পেয়ে। সে বারের ভোটে এই ছয় বিধানসভা কেন্দ্রের ছয় প্রার্থী ছিলেন যথাক্রমে (উপরের কেন্দ্র অনুযায়ী) সুদীপ রায় বর্মণ, আশিস সাহা, প্রাণজিৎ সিংহরায়, দিবাচন্দ্র হ্রাঙ্খায়াল, দিলীপ সরকার এবং বিশ্ববন্ধু সেন।

এ বার ওই নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলি থেকে তাঁরা ভোটে লড়লেও বদলে গিয়েছে তাঁদের নির্বাচনী প্রতীক। গত ২০১৬-র জুন মাসে তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এর পর ২০১৭-তে তাঁরা ফের শিবির পরিবর্তন করে বিজেপিতে নাম লেখান। একটু পিছনে তাকালে একটা প্রশ্ন উঠে আসে, ২০১৩-তে কংগ্রেসের প্রতীকে জেতার পর তাঁরা কেন তৃণমূলে যান?

পশ্চিমবঙ্গের শেষ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতায় গিয়েছিল জাতীয় কংগ্রেস। সে সময় না কি ব্যাপক ভাবে কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন ওই ছয় বিধায়ক। পড়শি রাজ্যে যে দলের সঙ্গে কংগ্রেস জোট বাঁধছে, সেই দলই ত্রিপুরার শাসক দল। এই যুক্তিকে সামনে রেখেই ওই বিক্ষুব্ধ বিধায়করা দল ছেড়ে তৃণমূলে চলে যান। কিন্তু এক বছর না ঘুরতেই কী এমন ঘটল যে তাঁরা ফের পতাকা পরিবর্তন করলেন?

মুকুল রায়। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কংগ্রেস ছেড়ে ওই হাফ ডজন বিধায়ক মুকুলবাবুর হাত ধরেই তৃণমূল এবং পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলে ফের তাঁরা ‘নেতা’র পদাঙ্ক অনুসরণ করে গেরুয়া শিবিরেই পাড়ি দেন।

শুক্রবারই ত্রিপুরার ভোট প্রচারের শেষ দিন। স্বাভাবিক ভাবেই ভোট গ্রহণের আগে পর্যন্ত সমস্ত দলের নেতৃত্বই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন পরিসংখ্যানগত কাটাছেঁড়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল-ত্যাগী ওই বিধায়কদের পদ্ম প্রতীকে লড়াই করে নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করার জন্য দলীয় কর্মসূচির থেকে ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিতেই বেশি জোর দিতে হবে। কারণ ওই ছ’টি আসনের প্রত্যেকটিতেই গত বিধানসভায় বিজেপির ভোট শতাংশ দুই অঙ্কেই পৌঁছতেই পারেনি। গত পাঁচ বছরে ত্রিপুরায় বিজেপি এমন কিছু সংগঠন গড়ে তুলতে পারেনি বা কেন্দ্রীয় ভাবে এমন কিছু পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারেনি, যার ঘাড়ে চেপে দলীয় প্রার্থীরা হাসতে হাসতে কাঙ্ক্ষিত জয় পেয়ে যাবেন! তা ছাড়া প্রায় এক বছরে তাঁরা যে দলের হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সেই তৃণমূল কংগ্রেসও প্রার্থী দিয়েছে তিনটি আসনে।

খবর

সুর বদল: ত্রিপুরার জয় নিয়ে এ বার অন্য কথা বলতে শুরু করল বিজেপি

ওয়েবডেস্ক: পার্শ্ববর্তী মেঘালয়ে ভোট প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতই সুর চড়াচ্ছেন, ভোট হয়ে যাওয়া ত্রিপুরায় যেন ততই সুর নরম হচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বের। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পরেও তাঁরা জয়ের ব্যাপারে যতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, যত দিন গড়াচ্ছে তাতে যেন সামান্য হলেও চিড় ধরছে।

ত্রিপুরায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা বিজেপির এক প্রথম সারির নেতা ঘনিষ্ট মহলে মন্তব্য করেন, ‘আমরা জিতছিই। তবে যদি হেরে যাই তাতেও ক্ষতি নেই। এ বারের নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের মানুষের হৃদয়ে অনেকটাই জায়গা করে নিতে পেরেছে বিজেপি। ফলে হেরে গেলেও সেই জায়গাটা রয়ে যাবে।’

ওই নেতার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ত্রিপুরায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ হাজার। এর পর অনলাইনে সদস্যপদ দেওয়া শুরু হলে সেই সংখ্যা ২০১৫-তে দাঁড়ায়  এক লক্ষ ৭৫ হাজার। এর মধ্যে যেখানে অনলাইন সুবিধা পাওয়া যায় না, সেখানে হাতে হাতে প্রায় ২৫ হাজার সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন ত্রিপুরার মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লক্ষ। এর মধ্যে প্রায়  চার লক্ষের কাছাকাছি রয়েছেন বিজেপি সদস্য। ত্রিপুরায় দল ক্ষমতায় এলে ওই সংখ্যা যে নদীর বানের মতোই হু-হু করে বাড়বে সে বিষয়ে আশাবাদী নেতৃত্ব। তবে ক্ষমতায় না আসতে পারলেও যে রাজ্যবাসীর কাছে কংগ্রেসের জায়গা স্থায়ী ভাবে দখল করতে পারবে, সে আশাও ছাড়ছেন না তাঁরা।

তাঁদের আরও দাবি, এই ভোটেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে কংগ্রেসের কোনো প্রভাবই রাজ্যে আর নেই। সেই জায়গায় চলে এসেছে বিজেপি। এ বার যদি ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, তবে বিজেপি ছাড়া অন্য কোনো দলকেই চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন না রাজ্যবাসী।

Continue Reading

খবর

এত আঁটোসাঁটো নিরাপত্তাতেও কমেনি ত্রিপুরার ভোটের হার, ঠিক যে কারণে

ওয়েবডেস্ক: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোট পড়ার নিরিখে এ বারের নির্বাচন তৃতীয় স্থান দখল করতে চলেছে। কারণ এর আগে ২০১৩ সালে এই ভোটের হার ছিল ৯৩.৫৭ আবার ২০০৮-এ ছিল ৯১.২২ শতাংশ। সেই সারণিতেই তৃতীয় স্থান ধরে রাখতে পারল ২০১৮-র নির্বাচন। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সারা দেশের মধ্যে ব্যতিক্রমী অবস্থানে থাকা ত্রিপুরায় বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে ভোট মেশিনারির যে অভিযোগ উঠত, তার কতটা সত্যি? নিরাপত্তা ব্যবস্থা এত আঁটোসাঁটো করার পরেও কী ভাবে পড়ল প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট?

১৮ ফেব্রুয়ারি পার হয়ে ভোট শুরু হয়ে গড়িয়েছিল ১৯ ফেব্রুয়ারিতে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য বলছে, ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এ বারে ভোট পড়েছে ৮৯.৮ শতাংশ। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসারদের কেউ কেউ এখনও নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করতে পারেননি। তার উপর রয়েছে পোস্টাল ব্যালট। সব মিলিয়ে এ বারেও যে রাজ্যে ভোটের হার ৯০ শতাংশে পৌঁছে যাবে, সে বিষয়ে কোনো মহলেই সন্দেহ নেই। কিন্তু এ বিশাল পরিমাণ ভোটে পড়ায় দু’পক্ষেরও আশায় বুক বাঁধার কারণ কী, এমন প্রশ্নও উঠছে।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর বলেছেন, ত্রিপুরায় কোনো নির্দিষ্ট তত্ত্ব কাজ করে না। রাজ্যে বেশি মাত্রায় ভোট পড়ার একটা ইতিহাস রয়েছে। সেটারই ধারাবাহিকতা বজায় রইল এ বারের নির্বাচনে। রাজ্যের মানুষ বরাবরই সিপিএমকে উজাড় করে সমর্থন জানিয়েছেন।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির আচমকা উত্থানে শাসক-বিরোধিতার বহিপ্রকাশ ঘটে যাননি তো মানুষের রায়ে?  এমন প্রশ্নের উত্তরে তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, মানুষ কেন একটা গণতান্ত্রিক, গরিব-দরদি এবং অ-স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিতে যাবেন?

অন্য দিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেবও সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছেন, সর্বত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের রায় বিজেপির পক্ষেই গিয়েছে।

তবে সারা দেশের তুলনায় ত্রিপুরায় ভোটের হার বরাবর বেশি থাকলেও দুর্নাম পোহাতে হয়েছে রাজ্যের শাসক বামফ্রন্টকে। এ বারে তাই নির্বাচন কমিশনের তরফে নেওয়া হয়েছিল যাবতীয় সুরক্ষা কবচ। তবুও যে কে সেই। কেন বজায় রইল ‘ঐতিহ্য’?

গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক অখিলরজ্ঞন দত্ত টাইসম অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এর নেপথ্যে থাকতে পারে তিনটি সম্ভাব্য কারণ। প্রথমত, শাসক দল নিজের সমর্থনের ভিত অটুট রাখতে পেরেছে। দ্বিতীয়ত, এই বিশালবপুর নির্বাচনী প্রচারেও বিজেপি মানুষকে কাছে টানতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ কারণ হতে পারে, কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক অক্ষত রাখতে পারেনি।

Continue Reading

খবর

ত্রিপুরা নির্বাচন : সমানে বিগড়োচ্ছে ইভিএম, রাত ন’টাতেও ভোট

ওয়েবডেস্ক: রবিবার রাত ন’টা পর্যন্ত ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ৭৮.৫৬ শতাংশ। ৫৯টি বিধানসভা আসনের ৩২১৪টি চলছে ভোট গ্রহণের কাজ। রাত ন’টাতেও বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়েছে। এ দিন সকাল থেকেই নির্বাচন আধিকারিকদের তটস্থ করে রেখেছে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের যান্ত্রিক গোলযোগের অভিযোগ। এ নিয়ে যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী অফিসার শ্রীরাম তরনিকান্তি।

৩.১৪-সারা রাজ্য থেকে খবর আসছে, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের সমস্যা কিছুতেই মিটছে না। ভারত-তিব্বত বর্ডার পুলিশের জওয়ানদের নিযুক্ত করা হয়েছে দক্ষিণ ত্রিপুরা এবং গোমতীর বুথগুলিতে।

২.২৭- অতীতে ২০০৮ এবং ২০১৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড গড়েছিল ত্রিপুরা। প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ৩১৭৪ বুথে বসানো হয়েছে ভিভিপ্যাট। দেখা যাক কত ভোট পড়ে, জানালেন অতিরিক্ত নির্বাচন আধিকারিক তাপস রায়। সঙ্গে জানালেন,বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ইভিএম ও ভিভিপ্যাটে সমস্যা দেখা দিয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২.১০-বিকেল চারটে পর্যন্ত দেখব কত মানুষ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তার পর নেওয়া হবে যথাযথ ব্যবস্থা। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হবে ভোটগ্রহণ, জানালেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক।

দুপুর দু’টোর সময় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক শ্রীরাম তারিণীকান্তি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, এখনও পর্যন্ত কোনো জায়গা থেকেই কোনো রকমের দুর্ঘটনা বা হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। তবে কোনো কোনো বুথে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটে যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় ইঞ্জিনিয়াররা সেগুলি মেরামত করছেন। চিন্তার কোনো কারণ নেই, নির্বাচন কমিশনের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইভিএম মজুত রয়েছে।

এর আগে দুপুর একটায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক শ্রীরাম তারিণীকান্তি বলেন, এখনও পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৪৫.৯ শতাংশ। বিভিন্ন জায়গা থেকে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটে গোলযোগের খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা সেই সমস্যা কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে সুষ্ঠু ভাবে মতদানে সহযোগিতা করছেন।

আপডেট পেতে ক্লিক করুন: খবরOnline/ত্রিপুরা নির্বাচন

Continue Reading
Advertisement
Currency
রাজ্য9 mins ago

ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারের আর্জি খারিজ স্যাটে

Hemant Soren
দেশ42 mins ago

মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত! কোয়রান্টিনে গেলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

দেশ2 hours ago

‘গান্ধী’ পরিবারের তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে উচ্চস্তরের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

রাজ্য4 hours ago

বিকল্প শিক্ষাপদ্ধতি: তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে লকডাউন পাঠশালা

দেশ6 hours ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে, কিছুটা বাড়ল সুস্থতা

কলকাতা6 hours ago

করোনা প্রতিরোধে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিতরণ ‘উই আর দ্য কমন পিপল’-এর

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২৭৫২, সুস্থ ১৬৮৮৩

ক্রিকেট7 hours ago

জন্মদিনের দিন দেখে নেওয়া যাক অধিনায়ক সৌরভের পাঁচটি কালজয়ী সিদ্ধান্ত

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২৭৫২, সুস্থ ১৬৮৮৩

currency
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

পিপিএফের ৯টি নিয়ম, যা জেনে রাখা ভালো

দেশ3 days ago

২০২১-এর আগে নয় করোনা ভ্যাকসিন? প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও সময়সীমা মুছে দিল বিজ্ঞানমন্ত্রক!

কলকাতা2 days ago

কলকাতায় এখন ১৮টি কনটেনমেন্ট জোন, ১৮৭২টি আইসোলেশন ইউনিট, ফারাকটা কোথায়?

রাজ্য2 days ago

করোনা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের ‘সেফ হোম’-এর ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রের

বিনোদন3 days ago

করোনা আবহে কী ভাবে হল ‘বিবাহ বার্ষিকী’র শুটিং? দেখে নিন অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

দেশ3 days ago

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

ক্রিকেট2 days ago

ওপেনার সচিন তেন্ডুলকরের গোপন রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

কেনাকাটা

কেনাকাটা22 hours ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা2 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা3 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা1 week ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

নজরে