mumbai march

মুম্বই:  সময়ের সঙ্গে বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। কিন্তু চিত্রটা যে এত দ্রুত বদলে যাবে তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কেউ। না বামপন্থীরা, না বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। এই তো ক’দিন আগেও শিবসেনার সঙ্গে কত না সুখের সংসার ছিল বিজেপির। আর এখন পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যেমন ঘর ভেঙেছে, আবার আমূল বদলে গেল সংসারের সদস্যদের গতিবিধিও। বামপন্থী কৃষক সংগঠনের ডাকা কর্মসূচিতে দৌড়ে গেলেন এক শিবসেনা নেতা।

কৃষিঋণ মকুবের দাবিতে গত পাঁচ দিন ধরে চলছে ১৮০ কিমি পথ ভেঙে কয়েক হাজার মানুষের পদযাত্রা। সারা ভারত কিষাণ সভা (এআইকেএস) গত শুক্রবার জানিয়েছিল, প্রায় ২৫ হাজার কৃষকের ওই পদযাত্রা মিলিত হবে মহারাষ্ট্রের বিধানসভা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিতে। কিন্তু রবিবার সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, ২৫ নয়, ওই লাল পতাকার ভিড়ে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। আগামী সোমবার বিধানসভা ঘেরাও অভিযানে যাতে কোনো রকমের আইনি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় এবং পথঘাট যতটা সম্ভব যানজটমুক্ত রাখা যায়, সে দিকে তাকিয়েই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবীশের পুলিশ প্রশাসন।

আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কৃষকের ‘মুম্বই মার্চ’, নেপথ্যে কে?

তবে বামপন্থী কৃষক সংগঠনের এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজ্যে বিজেপির সরকার-সঙ্গী শিবসেনার আগ্রহ-উদ্দীপনা চোখ এড়াচ্ছে না রাজনৈতিক মহলের। রবিবার কিষাণসভার নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরে। তবে তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিশদ কিছু জানা যায়নি। কিন্তু কৃষকের দাবি-দাওয়া নিয়ে বিধানসভা ঘেরাও অভিযানে যে শিবসেনারও মৃদু সমর্থন রয়েছে, সে কথা চাউর হয়ে গিয়েছে কয়েক দিন আগেই।

বিক্ষোভকারী কিষানরা সিওনে কেজে সোমাইয়া ময়দানে শিবির করে রয়েছেন। রবিবার তাঁরা ১৫ কিমি দূরে আজাদ ময়দানের উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করবেন। কিষানসভা নেতৃত্ব জানিয়েছেন, তাঁরা সোমবারের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ভাবেই পালন করবেন। শেষ পর্যন্ত ওই জমায়েতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা পার হতে পারে ৫০ হাজার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here